স্টাফ রিপোর্টার: কাঁটাখালি থানার মধ্যচরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এতে ৩০ জনের নাম উলেৱখসহ অজ্ঞাত ৪০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে উক্ত এলাকায় চির্বনি অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেপ্তারসহ ১১৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পুলিশের আতঙ্কে পুর্বষ শূন্য হয়ে পড়েছে গ্রামটি।
মহানগর পুলিশ কমিশনারের মুখপাত্র ও আরএমপির সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর) ইফতে খায়ের আলম বলেন, পুলিশের ওপরে হামলার ঘটনায় কাঁটাখালি থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে অস্ত্র মামলা, সরকারি কাজে বাধা দান ও মাদকদ্রব্য মামলা রয়েছে।
গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মধ্যচর এলাকার তারেক হোসেন, রায়হানুল ইসলাম, বাবু মিয়া, সাকিল খান, মানিক মিয়া, আসলাম মালেক, গিয়াস উদ্দিন ও নজর্বল ইসলাম। এছাড়াও সেখানে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া ১১৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার হয়েছে।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশের ওপর হামলার পর থেকেই গ্রামে পুর্বষ শূন্য হতে থাকে। তারা পুলিশের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।
ডাক্তারের উদ্ধৃতি দিয়ে এসি ইফতে খায়ের আলম আরো বলেন, আহত এএসআই মাহাবুব ও কনস্টেবল সুজন বর্তমানে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত।
উলেৱখ্য, গত সোমবার দিবাগত সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের ৫ সদস্যের একটি টিম কাঁটাখালি থানার হরিয়ান মধ্যচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। সেখানে একটি বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে তারা। এরমধ্যে একজন নারী মাদক ব্যবসায়ী ছিল। এ সময় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন মাদক ব্যবসায়ী সংঘবদ্ধ হয়ে এএসআই মাহাবুব ও কনস্টেবল সুজনকে লাঠিপেটা করে মাথাসহ সারা শরীর গুর্বতর জখম করে।