স্টাফ রিপোর্টার: পবার খড়খড়ি এলাকায় যুবলীগ নেতা মোহন আলী খুনের সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে লাশ নিয়ে মিছিল করেছে যুবলীগ নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মতিহার থানার খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় মিছিল শেষে পারিলার পুড়াপুকুর কবরস্থানে নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়।
যুবলীগ নেতা মোহন আলীর জানাজার নামাজে শরীক হন ও মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা যুবলীগ সভাপতি আবু সালেহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম সেন্টু, পবা উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, পারিলা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আসাদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সামউন হক সুইটসহ এলাকবাসী ও মুসলিৱবৃন্দ।
জানা গেছে, গত ২১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মতিহার থানার খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় মাছ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধে প্রতিপৰের মারপিটে গুর্বতর আহত হয় যুবলীগ নেতা মোহন আলী (৩০)। তাকে তৎৰণাত রামেক হাসপাতালের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। গত সোমবার রাত ১১টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত মোহন আলী পবার ললিতাহার এলাকার হানিফ আলীর ছেলে। তিনি পারিলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।
মতিহার থানার ওসি শাহদাৎ হোসেন খান বলেন, মারধরের ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে আগেই একটি মামলা করা হয়েছিল। সে মামলাটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে আলাউদ্দীন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।