বাজেটে নতুন কর্মসংস্থানের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

11/04/2018 1:09 am0 commentsViews: 39

স্টাফ রিপোর্টার : আসছে বাজেটে নতুন কর্মসংস্থানের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য বাদশা এ-ও মনে করেন, বাজেটে নতুন কর্মসংস্থানের টার্গেট প্রকাশ না হওয়াটাও কোটাবিরোধী আন্দোলনের একটা কারণ।
তিনি বলেন, কত ব্যয় করবো, আর কত বিনিয়োগ হবে- বাজেটের এই বিষয়টি উন্নয়নের মাপকাঠি হতে পারে না। নতুন অর্থবছরে কর্মসংস্থান কেমন সৃষ্টি হবে, সেটাই হচ্ছে উন্নয়নের মাপকাঠি। তাই আসছে বাজেটে আমরা কর্মসংস্থানের হিসাব অন্তর্ভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি জানাই।
বাংলাদেশ যুবমৈত্রীর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলৰে রাজশাহীতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহী জেলা ও মহানগর যুবমৈত্রীর উদ্যোগে নগরীর সাহেববাজারে মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাদশা বলেন, দেশে কোটাবিরোধী আন্দোলন শুর্ব হয়েছে। কিন্তু যারা আন্দোলন করছেন, তাদের একটা মহল ইন্ধন জুগিয়েছে। কোটা নিয়ে তাদের ভুল বোঝানো হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, কোটার কারণে সবার চাকরি হয় না। কিন্তু আসলেই তা নয়। এ জন্যই বাজেটে কর্মসংস্থানের হিসাব প্রকাশ করা উচিত। তা না হলে বাজেট পরিপূর্ণতা পাবে না।
দেশের যুবকদের উন্নয়ন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা না গেলে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে না উলেৱখ করে যুবমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাদশা বলেন, দেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ যুবক। এদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। এই পাঁচ কোটি মানুষকে উন্নয়ন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের উন্নয়ন কাজ করার ৰমতা রয়েছে। তাদেরকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় সে ব্যাপারে সরকারকে চিন্তা করতে হবে।
তিনি বলেন, যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করতে একটা কুচক্রি মহল কাজ করে যাচ্ছে। এর বিপরীতে থেকে যুবমৈত্রীর প্রতিটি নেতাকর্মীকে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে তাদের। সেই সঙ্গে বিভ্রান্তিতে পড়া যুবসমাজকে সঠিক পথ দেখাতেও কাজ করতে হবে যুবমৈত্রীর নেতাকর্মীদের।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা যুবমৈত্রীর সভাপতি মনির উদ্দিন পান্না। তিনি বলেন, যুবমৈত্রী একটা আদর্শের রাজনীতি করে। সেই আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন দেশ গড়া। এর জন্য যুবমৈত্রীর প্রতিটি নেতাকর্মী কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর না হওয়া পর্যন্ত যুবমৈত্রী কাজ করে যাবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রফিকুল ইসলাম পিয়ার্বল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল হক তোতা ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবু। মহানগর যুবমৈত্রীর সভাপতি মনির্বজ্জামান মনির সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। মহানগর সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক বকুল সমাবেশ পরিচালনা করেন।
সমাবেশে যুবমৈত্রীর বিভাগিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম আখতার অনিক, ক্রীড়া সম্পাদক ইকবাল বাহার বাবু, জেলার সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলামসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশ শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলৰে নগরীতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে কাটা হয় কেক।

Leave a Reply