স্টাফ রিপোর্টার: বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে পালিত হয়েছে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস। এ দিবস উপলৰে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে র‌্যালি ও জেলা প্রশাসক সম্মেলন কৰে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎপাদনশীলতার উপর বক্তব্য রাখেন রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকেই উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। আর ভাল কাজের জন্য পুরস্কার এবং খারাপ কাজের জন্য তিরস্কার করতে হবে।
তিনি উৎপাদনশীলতা সম্পর্কে বলেন, স্বল্প সময়ে স্বল্প মূল্যে গুণগত পণ্য উৎপাদনকে উৎপাদনশীলতা বুঝায়। তিনি বলেন সাধারণত: সউৎপাদন ও উৎপাদনশীলতাকে সমার্থক মনে করা হয়। কিন্তু প্রকৃত অর্থে উৎপাদন ও উৎপদনশীলতা ্‌এক নয়। উৎপাদনশীলতা হলো একটি সংগঠনের সম্পদ ব্যবহারের অনুপাত। উৎপাদনে উপকরণসমূহ প্রত্যাশিত পণ্য ও সেবা উৎপাদনে কিরূপ কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তার পরিমাপক হলো উৎপাদনশীলতা। এতে উৎপাদনের উপকরণ ব্যবহারের দৰতা বা কার্যকারিতাকে উৎপাদনশীলতা হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করা যায়। একই পরিমাণ পুঁজি,শ্রম ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে অধিক পরিমাণে উৎপাদন পাওয়া গেলে তাকে উৎপাদনশীলতা বলে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদেরের সভাপত্বিেত্ব অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে এবং এ অঞ্চলে শিল্প বিকাশের স্বর্াথের্ উৎপাদনশীলতা বাড়ালেই চলবে না এর সাথে সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আবকাঠামোর উন্নয়ন এবং বিসিক এলাকায় জ্বালানি সমস্যা সমাধানের জন্য বিদ্যুতের আলাদা ফিডার এবং গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। একই সাথে দৰ কর্মি গড়ে তুলতে হবে। একমাত্র তবেই উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিসিকের আঞ্চলিক প্রকৌশলী আজহার্বল ইসলাম, বিসিক শিল্প মালিক সমিতির পৰে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, বিসিকের উপ- মহাব্যবস্থাপক তামান্না রহমান, উইমেন চেম্বারের সভাপতি অধ্যাপিকা রোজেটি নাজনীন, সুগার মিলসহ রাজশাহীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিবৃন্দ ।
এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিসিকের সহকারি নিয়ন্ত্রক নজর্বল ইসলাম। আলোচনা সভার পূর্বে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।