মেডিকেল শিৰার মান রৰা জর্বরি

20/03/2018 1:04 am0 commentsViews: 8

জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে দেশে রোগ-শোকও বাড়ছে। বাড়ছে চিকিৎসাসেবা ও প্রতিষ্ঠানের চাহিদা। দেশে এখন সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা শতাধিক। সংখ্যায় বাড়লেও মেডিকেল শিৰার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রীও এদিকে নজর দেবার তাগিদ দিয়েছেন।
যুগের চাহিদা অনুযায়ী মেডিকেল শিৰার উন্নতি ঘটলেও তার সাথে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে আমাদের শিৰা প্রতিষ্ঠানগুলো। আধুনিক শিৰা, প্রশিৰণ ও গবেষণার ঘাটতি সাদা চোখেই ধরা পড়ে। মেডিকেল শিৰার প্রযুক্তি পরিবর্তনের সাথে পা মেলাতে পারছে না মেডিকেল কলেজগুলো। এজন্য প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিৰা উপকরণ, প্রশিৰণ ও গবেষণার অভাবকেই দায়ি করছেন সংশিৱষ্টরা।
আমাদের জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে মোট বরাদ্দের ২২ শতাংশ ব্যয় হয় মেডিকেল শিৰায়। তবে শিৰার্থীদের আধুনিক শিৰা উপকরণ, শিৰকদের গবেষণা ও প্রশিৰণের আলাদা কোনো বরাদ্দ না থাকায় এসব উপেৰিতই থেকে যায়। অথচ মেডিকেল শিৰার গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিৰা উপকরণ যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন যথাযথ প্রশিৰণ ও গবেষণা। সেজন্য খাতওয়ারি পৃথক বরাদ্দ থাকা অপরিহার্য। বরাদ্দের অভাবে মেডিকেল শিৰকদের প্রশিৰণ ও গবেষণায় পিছিয়ে থাকাই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো সংখ্যায় বেশি হলেও মূলত ব্যবসার লৰ্যে পরিচালিত হওয়ায় সেখানে এসবের গুর্বত্বই নেই। বেশিরভাগ মেডিকেল কলেজে বেসিক সায়েন্স বিভাগে শিৰকই নেই বলে জানা গেছে।
তাছাড়া ডাক্তারদের মধ্যে উচ্চতর শিৰা, প্রশিৰণ ও গবেষণার চাইতে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অতি আগ্রহও পিছিয়ে থাকার একটা কারণ। দেশে ভালো ও নামকরা ডাক্তার থাকলেও বই লেখার ব্যাপারে তাদের সময় নেই। ফলে বিশ্বব্যাপী মেডিকেল সায়েন্স এগিয়ে যাওয়ার সাথে এখানকার শিৰার্থীদের তাল মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্যও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও বরাদ্দ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মতো প্রশিৰণ ও গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ পেলে মেডিকেল কলেজগুলোতে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও দেশে-বিদেশে উচ্চতর প্রশিৰণ ও শিৰা উপকরণের আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব বলে ধারণা করা যায়। এর ফলে মেডিকেল শিৰা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে, জোর দিয়ে বলা যায়।
এছাড়া মেডিকেল শিৰার মান বজায় রাখা কতটা সম্ভব ভেবে দেখার বিষয়। মেডিকেল শিৰার সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া চিকিৎসাসেবার উন্নয়নও কাঙিৰত পর্যায়ে উন্নীত হওয়া অনিশ্চিতই থেকে যাবে।

Leave a Reply