বিপদ ঘটার আগেই উদাসীনতা দূর হওয়া জরম্নরি

10/03/2018 1:04 am0 commentsViews: 13

খনিতে ভূ-পৃষ্ঠের গভীরে কাজ করতে হয়। ফলে সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও শ্বাস-প্রশ্বাসের সুব্যবস’া অপরিহার্য। কিন’ পাবর্তীপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বড় বিপদের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে বলে গতকালের সোনালী সংবাদে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে।
মধ্যপাড়া পাথর খনিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে খনিতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ও মূল্যবান যন্ত্রপাতি প্রায়ই নষ্ট হওয়ায় পাথর উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানা গেছে। যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানীসহ ৰয়ৰতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
কিছুদিন আগে ভূ-অভ্যনৱরে প্রায় ৩০০ মিটার গভীরে পাথর তোলার জন্য বিস্ফোরণে সৃষ্ট বিষাক্ত গ্যাস বেরম্ননোর সময় বিকেলে প্রায় ঘন্টা খানেকের জন্য এবং পরে পর পর তিন বার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে কর্মরত প্রায় শতাধিক শ্রমিক ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে তাদের প্রাণহানীর আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বিদেশিদের দ্রম্নত ব্যবস’া গ্রহণে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে বলে জানা গেছে।
অথচ যে কোনো খনিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা অপরিহার্য, এটা সবার জানা। আনৱর্জাতিক খনি আইন অনুযায়ী এ জন্য পৃথক উৎস থেকে দুটি স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ লাইন থাকা বাধ্যতামূলক। কিন’ মধ্যপাড়া খনি কর্তৃপৰ বছরের পর বছর ধরে এ বিষয়ে চরম উদাসীনতা দেখিয়ে আসছে। ফলে বাইরের মত খনির ভেতরেও বিদ্যুতের যখন তখন আসা-যাওয়ার খেলা স্বাভাবিক হয়ে উঠলেও দেখার কেউ নেই। এটাই কঠিন বাসৱবতা।
কেন এমন উদাসীনতা সে প্রশ্ন তোলারও কি কেউ নেই? খনি কর্তৃপৰ কি এ ৰেত্রেও অবারিত স্বাধীনতার গ্যারান্টি পেয়ে গেছে? কেন, কী ভাবে সেটা বড় প্রশ্ন না হয়ে পারে না। বিষয়টির প্রতি আমরা সংশিস্নষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপৰের আশু দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
মধ্যপাড়া পাথর খনিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যেমন জরম্নরি তেমনি এতদিনের উপেৰা-অবহেলার কারণ খুঁজে বের করে দায়ি ব্যক্তি ব্য ব্যক্তিবর্গের বিরম্নদ্ধে আইন অনুযায়ী দৃষ্টানৱমূলক ব্যবস’া নেয়াও জরম্নরি। কোনো বিপদ ঘটার আগেই পরিসি’তি পরিবর্তনে যথাযথ পদৰেপ দেখতে চাই আমরা।

Leave a Reply