সড়কের চেয়ে কি ফুটপাত গুরম্নত্বপূর্ণ!

09/03/2018 1:04 am0 commentsViews: 30

রাজশাহীর প্রবেশদ্বার আলুপট্টি-তালাইমারী সড়ক আগে যা নাটোর রোড নামেই পরিচিত ছিল। এখন এই সড়কের এক পাশে দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত সবার দৃষ্টি কাড়ে। কিন’ সড়কটি অপ্রশসৱ হওয়ায় যান চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি যেমন বেড়েছে তেমনি সময়ৰেপণে গতিও কমেছে। অথচ প্রশসৱকরণসহ উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও সড়কের কাজে হাতই দেয়া হয়নি। এমন খবর পত্রিকায় ফলাও প্রচার পেয়েছে।
পুরানো সড়কটি অপ্রশসৱ হওয়ায় ২০১৫ সালে এর উন্নয়নে নেয়া প্রকল্প ২০১৭ সালে শেষ হওয়ার কথা। তবে এখন পর্যনৱ সড়কটির এক পাশে শহর রৰা বাঁধের ধারে ফুটপাত তৈরি ও সৌন্দর্যকরণের কাজ শেষ হয়েছে। প্রশসৱ না করেই ফুটপাত তৈরি করায় রাসৱা বেশ কয়েক ফুট ছোট হয়ে গেছে। অথচ অন্য পাশের জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরম্নই হয়নি। ফলে এখন দুর্ভোগের শিকার যানবাহনের চালক ও যাত্রীসাধারণ।
ক্রমবর্ধমান যানবাহন চলাচলের সুবিধার জন্যই রাসৱাটি উন্নয়নের প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। কিন’ ফুটপাত সৌন্দর্যকরণ শেষে এখন সবকিছু যেন থমকে আছে। এর মধ্যেই প্রকল্পের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়াতে এখন সময় না বাড়িয়ে উপায় নেই। এতে করে প্রকল্পের ব্যয় যেমন বেড়ে যাবে তেমনি দীর্ঘসূত্রতার কারণে জনগণের ভোগানিৱও বাড়বে। কেন এমনটি হলো সেটা ভেবে দেখার বিষয়।
ফুটপাত তৈরি ও সৌন্দর্যকরণের আগে কেন সড়ক প্রশসৱকরণের কাজ শুরম্ন হলো না সে প্রশ্নেরও জবাব নেই। এখন নতুন ফুটপাতের কারণে গুরম্নত্বপূর্ণ এই সড়কটি অপ্রশসৱ হওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়েছে। এ সড়ক দিয়ে পূর্বাঞ্চলের যানবাহন ছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি উচ্চ শিৰা প্রতিষ্ঠানের শিৰার্থীদের যাতায়াত করতে হয়। ফলে দুর্ভোগের শেষ নেই।
নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানোর কথা স্বীকার করে এক বছরের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের পর ২০১৯ সালে প্রশসৱকরণের কাজ শেষ হবার কথা জানিয়েছেন। বাসৱব অভিজ্ঞতা থেকে বিষয়টি নিয়ে জনমনে সন্দেহের ডালপালা বিসৱার করতেই পারে। কারণ সড়ক পার্শ্বসৱ ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। তাছাড়া প্রকল্পের সময় বৃদ্ধিতে ব্যয়বৃদ্ধির অর্থ বরাদ্দ নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।
এ অবস’ায় সড়কের চেয়ে ফুটপাতকে গুরম্নত্ব দেয়ার পেছনের কারণ এবং ভূমি অধিগ্রহণে অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার নয় কি?

Leave a Reply