শিৰার বাণিজ্য র্বখতে শিৰকদের চাকরি জাতীয়করণের বিকল্প নেই

14/01/2018 2:08 am0 commentsViews: 25

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, শিৰা ব্যবস্থার বাণিজ্য র্বখতে শিৰকদের চাকরি জাতীয়করণের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিৰকদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি যৌক্তিক এবং ন্যায়সঙ্গত।
গতকাল শনিবার রাতে বেসরকারি শিৰা প্রতিষ্ঠানের সকল শিৰক-কর্মচারির চাকরি জাতীয়করণ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজশাহী মহানগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারের সম্মেলন কৰে এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ শিৰক সমিতির রাজশাহী জেলা ও মহানগর শাখা।
ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, শিৰকদের চাকরি জাতীয়করণ ছাড়া শিৰা ব্যবস্থার বাণিজ্য দূর হবে না। তাই আমি এরই মধ্যে বিষয়টি সংসদে তুলেছি, আবার তুলবো। কিন্তু তার আগে সকল শিৰা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে হবে। এটি হয়ে গেলে শিৰকদের আন্দোলন ত্বরান্বিত হবে।
তিনি বলেন, ঢাকায় শিৰকরা আন্দোলন করছিলেন। আমরা তাদের সমর্থন দিলাম। পরদিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিৰকদের আশ্বাস দিলেন। আমরা চাই, সব শিৰক রাষ্ট্রের সমান অধিকার ভোগ কর্বক। বছরের প্রথমদিনে সব শিৰার্থীর হাতে বই তুলে দেয়া একটা বড় সফলতা। সফলতা ধরে রাখতে শিৰকদের চাকরি জাতীয়করণ আজ সম্ভব হলে কাল করা যাবে না।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন। তিনিও শিৰকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, যে সরকার পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, স্যাটেলাইট করতে পারে, সে সরকার শিৰকদেরও চাকরি জাতীয়করণ করতে পারবে। সরকার এ নিয়ে কাজ করছে।
সভায় পবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুল হক তোতা ও সমাজসেবক মোরশেদ মনজুর হাসান চুন্নাও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন জেলা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা শিৰক সমিতির সমন্বয়ক আমজাদ হোসেন।
বক্তব্য দেন- নন-এমপিও শিৰক সমিতির জেলার সভাপতি আসাদুল ইসলাম, মাদ্রাসা শিৰক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, জেলা শিৰক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ, তানোর উপজেলা শিৰক সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম, গোদাগাড়ীর সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী প্রমুখ।

Leave a Reply