বিশ্ব ইজতেমা শুর্ব আজ

12/01/2018 2:06 am0 commentsViews: 22

এফএনএস: তাবলিগ জামাতের বৃহত্তম সম্মিলন বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব টঙ্গীর তুৃরাগ নদ তীরে আজ শুক্রবার থেকে শুর্ব হচ্ছে। ৩ দিনব্যাপী এ ইজতেমার প্রথম পর্ব শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুর্ব হয়ে ১৪ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে। চারদিন পর ১৯ জানুয়ারি শুর্ব হবে ইজতেমার দ্বিতীয়পর্ব এবং শেষ হবে ২১ জানুয়ারি। ইজতেমায় মুসলিম জাতির সুখ, শান্তি, কল্যাণ, অগ্রগতি ও ঐক্য কামনা করে মোনাজাত করা হবে। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইজতেমা আয়োজক কমিটি। এদিকে ইজতেমা ময়দানে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি মুসলিৱরা আসতে শুর্ব করেছেন। ধর্মপ্রাণ মুসলিৱদের স্রোত এখন টঙ্গীমুখি। প্রয়োজনীয় মালপত্র সঙ্গে নিয়ে দলে দলে মুসলিৱরা ময়দানে এসে যার যার খিত্তা ও কামরায় অবস’ান নিতে শুর্ব করেছেন। ইজতেমার মুর্বব্বি মো: গিয়াস উদ্দিন আজ জানান, গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে এবারের বিশ্ব ইজতেমার দুই ধাপে অংশ নেবেন দেশের ৩২ জেলার মুসলিৱ। প্রথম ধাপে অংশ নিচ্ছেন বিদেশি মুসলিৱসহ দেশের ১৬ জেলার মুসলিরা। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান আজ বলেন, বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি পৃথক ৫টি কন্ট্রোল র্বম স’াপন করেছে। তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসলিৱদের ওযু, পয়ঃনিষ্কাষণ ও সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্য ইজতেমা মাঠে স’াপিত ১৩টি গভীর নলকূপ দিয়ে ১৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটিার পাইপ লাইনের মাধ্যেমে প্রতিদিন ৩ কোটি ৫৪ লাখ গ্যালন সুপেয় পানি সরববরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। ইজতেমা চলাকালীন ২১টি গার্বেজ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্স) মেজর এ.কে.এম শাকিল নেওয়াজ গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসলিৱদের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস’া, উদ্ধার, রোগী পরিবহন (এ্যাম্বুলেন্স), তুরাগ নদে দমকল বাহিনীর ডুবুরি টহলসহ বিভিন্ন ইউনিট প্রস’ত রাখা হয়েছে। মুসলিৱদের নিরাপত্তায় পুলিশের ৭ হাজার সদস্য ও র‌্যাবের ২৫০ থেকে ৩০০জন সদস্য মাঠে মোতায়েন থাকবে। এ বছর গতবারের চেয়ে প্রায় দেড় হাজার পুলিশ সদস্য ও ৫টি ওয়াচ টাওয়ার বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪১টি সিসি ক্যামেরা ইজতেমা মাঠের চারপাশে স’াপন করা হয়েছে। ময়দানের প্রতিটি খিত্তায় ৬ জন করে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ওয়ার্চ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা, চেকপোস্টে, মেটাল ডিটেক্টর, নৌ টহল ও ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস’া মনিটরিং করা হবে। ময়দানে পলিশের পক্ষে থেকে ১৫টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। মাঠ জুড়ে থাকবে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের কড়া নজরদারি।
প্রথম পর্বের ১৬ জেলা হচ্ছে: ঢাকার একাংশসহ নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, নরসিংদী ও বগুড়া। এ বছর ১৬০ একর এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে চটের প্যান্ডেল। বিদেশি মেহমানদের জন্য এবার তৈরি করা হয়েছে ৪ কামরা বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক নিবাস। ইজতেমায় যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭টি ভাসমান পল্টুন ব্রিজ তৈরি করেছে। ইজতেমায় মুসলিৱদের স্বাস’্য সেবা নিশ্চিত করতে ৫০টি মেডিকেল টিম ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে। প্রস’ত থাকবে ১৪টি অ্যাম্বুল্যান্স। এদিকে, বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। ইজতেমা উপলক্ষে মহান আলৱাহর দরবারে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও কল্যাণ এবং দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি আশা করি, এ মহান ধর্মীয় সমাবেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ৰেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখবে। দেশ ও বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। শেখ হাসিনা মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে দেশবাসী এবং বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। প্রথানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, আবহমানকাল ধরে আমাদের লালিত অসাম্প্রদায়িক চেতনা, অকৃত্রিম সরলতা ও অতিথিপরায়ণতা এবং সহিষ্ণুতার আলোকবার্তা ইজতেমায় আগত বিদেশী মেহমানদের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে যাবে- এ আমার প্রত্যাশা। ঢাকার উপকণ্ঠে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে এই বিশ্ব ইজতেমা ইসলামের মর্মবাণী প্রচার ও প্রসারের ৰেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে উলেৱখ করে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। এদিকে, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ‘বিশ্ব ইজতেমা ২০১৮’ উপলৰে ইজতেমায় আগত বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলৱীদের স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, বিশ্ব ইজতেমা ইসলামি উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বাণীতে এ কথা তিনি বলেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ইসলাম শান্তি ও মানবতার ধর্ম। ইসলামের সুমহান আদর্শ ও আকীদাকে অনুসরণের পাশাপাশি এর প্রচার ও প্রসারের লৰ্যে বিশ্ব ইজতেমায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে মুসলৱীদের অংশগ্রহণ এক মহতী মিলনমেলা। ইজতেমা ইসলামের সুমহান আদর্শ জানা, বুঝা ও আমলের পথ সুগম করে। মুসলিম বিশ্বের বিজ্ঞ আলেমদের বয়ান ও আলোচনা হতে ইসলামের বিধি-নিষেধ ও করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়, যা ইসলামের প্রকৃত মর্মার্থ অনুধাবন ও অনুসরণে গুর্বত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উলেৱখ করে আবদুল হামিদ বলেন, বিশ্ব ইজতেমা ইসলামি উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ প্রতি বছর সফলভাবে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করে বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। এজন্য তিনি আলৱাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে লাখো শুকরিয়া জানান। বিশ্ব ইজতেমা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে যাতে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করে সে প্রার্থনা করেন তিনি।
বিভিন্ন গন্তব্যে বিশেষ ট্রেন: বিশ্ব ইজতেমায় (প্রথম পর্যায়) অংশগ্রহণকারী মুসলিৱ্লদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে আজ শুক্রবার থেকে আগামী রোববার পর্যন্ত বিভিন্ন গন্তব্যে বেশ কিছু বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস’া নিয়েছে। গত বুধবার এক তথ্য বিবরণীতে এ খবর জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি জামালপুর-টঙ্গী বিশেষ ট্রেন সকাল ৯ টা ১৫ মিনিটে জামালপুর থেকে ছেড়ে দুপুর সোয়া ২টায় টঙ্গীতে পৌঁছবে। ১৩ জানুয়ারি লাকসাম-টঙ্গী বিশেষ ট্রেন লাকসাম থেকে সকাল ১০টায় ছেড়ে টঙ্গীতে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে পৌঁছাবে। ১২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে বিশেষ ট্রেনটি সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ছেড়ে টঙ্গীতে সকাল ১১টা ২০ মিনিটে পৌঁছাবে এবং টঙ্গী থেকে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। ১৪ জানুয়ারি রোববার আখেরি মোনাজাতের দিন ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-১ ঢাকা থেকে ছেড়ে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে টঙ্গী পৌঁছাবে। মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-২ সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে টঙ্গী পৌঁছাবে। মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-৩ ঢাকা থেকে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে টঙ্গী পৌঁছাবে। মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-৪ ঢাকা থেকে সকাল ৯ টায় ছেড়ে সকাল ১০টায় টঙ্গী পৌঁছাবে। মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-৫ ঢাকা থেকে সকাল ৯ টায় ছেড়ে সকাল ১০ টায় টঙ্গী পৌঁছাবে। মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-৬ ঢাকা থেকে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে টঙ্গী পৌঁছাবে। মোনাজাত বিশেষ ট্রেন-৭ ঢাকা থেকে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে টঙ্গী পৌঁছাবে। টঙ্গী-আখাউড়া-লাকসাম বিশেষ ট্রেন টঙ্গী থেকে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে লাকসাম পৌঁছাবে। টঙ্গী-আখাউড়া বিশেষ -১ টঙ্গী থেকে দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে আখাউড়া পৌঁছাবে। টঙ্গী-ময়মনসিংহ-১ টঙ্গী থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ছেড়ে বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহ পৌঁছাবে। টঙ্গী-ময়মনসিংহ-২ টঙ্গী থেকে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে বিকাল ৩টা ৫৫ মিনিটে ময়মনসিংহ পৌঁছাবে। টঙ্গী-ময়মনসিংহ-৩ টঙ্গী থেকে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ছেড়ে বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে ময়মনসিংহ পৌঁছাবে। টঙ্গী-ময়মনসিংহ-৪ টঙ্গী থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ১টায় ময়মনসিংহ পৌঁছাবে। টঙ্গী-ঢাকা বিশেষ ট্রেন ১ ও ২ টঙ্গী থেকে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। টঙ্গী-ঢাকা বিশেষ ট্রেন ৩ টঙ্গী থেকে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ২টা ০৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। টঙ্গী-ঢাকা বিশেষ ট্রেন ৪ টঙ্গী থেকে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। টঙ্গী-ঢাকা স্পেশাল ট্রেন ৫ টঙ্গী থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। টঙ্গী-ঢাকা স্পেশাল ট্রেন ৬ টঙ্গী থেকে রাত ৭টা ২০ মিনিটে ছেড়ে রাত ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। টঙ্গী-ঢাকা স্পেশাল ট্রেন ৭ টঙ্গী থেকে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়,বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসলিৱদের সুবিধার্থে ৯ জানুয়ারি দুপুরের পর থেকে ১৪ জানুয়ারি আখেরী মোনাজাতের পূর্ব পর্যন্ত ঢাকা অভিমুখী সকল ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে ২ মিনিট বিরতি থাকবে। তথ্য বিবরণীতে আরও জানানো হয়, আগামি ১৪ জানুয়ারি রোববার সুবর্ণ এক্সপ্রেস, মহুয়া এক্সপ্রেস ও তুরাগ-১, ২, ৩ ও ৪ ঢাকা-কুমিলৱা, ঢাকা-টঙ্গী, ঢাকা-জয়দেবপুর ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের মধ্যে ডেমু (কমিউটার) ট্রেন চলাচল করবে না। ১২, ১৩, ও ১৪ জানুয়ারি ২৫১/২৫২ (লোকাল ট্রেন) এবং ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি কুশিয়ারা এক্সপ্রেস ট্রেনসমূহ বন্ধ থাকবে। ১৪ জানুয়ারি মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে।

Leave a Reply