এফএনএস: নদী রৰায় বর্তমান সরকার খুবই আন্তরিক বলে জানি-য়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। গতকাল রোববার জাতীয় যাদুঘরে ‘নদ-নদী রৰায় আইনের প্রয়োগ এবং উন্নয়ন বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান। জাতীয় নদী রৰা কমিশন বিশ্ব নদী দিবসের প্রেৰাপটে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
শাজাহান খান বলেন, নদীর সীমানা চিহ্নিতকরণ, নদীর তীরের অবৈধ স’াপনা উচ্ছেদ এবং উচ্ছেদকৃত জায়গা যাতে পুনর্দখল হয়ে না যায় সে লৰ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বুড়িগঙ্গা, শীতলৰ্যা, তুরাগসহ বিভিন্ন নদীর সীমানা চিহ্নিত করার লৰ্যে সাড়ে নয় হাজার সীমানা পিলার স’াপন করা হয়েছে, আরও ১০ হাজার সীমানা পিলার স’াপন করা হবে। এ নদীগুলোর তীরে প্রায় দশ হাজার অবৈধ স’াপনা উচ্ছেদ করে ৫শ’ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশে বুড়ি-গঙ্গা, শীতলৰ্যা, তুরাগসহ বিভিন্ন নদীর তীরে অবৈধ স’াপনা উচ্ছেদ-কৃত জায়গা যাতে পুনরায় দখল হয়ে না যায় সেজন্য ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৫০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ অক্টোবর শুর্ব হবে। পর্যায়ক্রমে নদীগুলোর উভয় তীরে ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নদীর তীরে বনায়ন ও সুন্দর পরিবেশের জন্য ঢাকার শ্যামপুর ও নারায়ণগঞ্জে দু’টি ইকোপার্ক’ নির্মাণ করা হয়েছে। আশুলিয়া, সিন্নিরটেক ও টঙ্গীতে আরও তিনটি ইকোপার্ক নির্মাণ করা হবে। কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আবদুল জলিল, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুলৱাহ আল মোহসীন চৌধুরী, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ার-ম্যান আবু নাসের খান এবং নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পা-দক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস’াপন করেন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান।