সাৰাৎকারে এসে ধরা!

15/11/2017 2:04 am0 commentsViews: 4

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে ভর্তি পরীৰায় ১৬তম মেধা স্থান অজর্ন করেন খলিলুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপেৱঙে অনুষদের ভর্তি কমিটির কাছে সাৰাৎকার দিতে এসে ‘হাতেনাতে’ ধরা পড়েন তিনি। হাতের লেখা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ভর্তি অযোগ্য ঘোষণা করে ভর্তি কমিটির সদস্যরা। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
জানা গেছে, খলিলুর যশোর সদর থানার তোফায়েল আহমেদের ছেলে। ভর্তি পরীৰায় তার রোল নম্বর ছিল ২০০৩২। লিখিত অংশে ইংরেজি বিষয়ে ১০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭ নম্বর পান। অন্য কোনো পরীৰার্থী তার ধারে-কাছেও নেই। এছাড়া এইচএসসি পরীৰার মার্কসশীটে ইংরেজি বিষয়ে তিনি সর্বনিম্ন ‘ডি’ গ্রেড পেয়েছিলেন। এতে সন্দেহ হয় সাৰাৎকার নেয়া শিৰকদের।
অনুষদের ডিন ও বি ইউনিটের ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক আবু নাসের মো. ওয়াহিদ জানান, গত ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এমসিকিউ ও লিখিত পরীৰা নেয়া হয়। উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে গত ৫ নভেম্বর ২৬৭ জনের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে মো. খলিলুর রহমান ১৬ তম স্থান অর্জন করেন। মেধা তালিকাভুক্তদের ১৪ নভেম্বর মৌখিক পরীৰার জন্য ডাকা হয়। সেখানে খলিলুর উপস্থিত হলে, তার হাতে লেখা ও অন্যান্য বিষয় যাচাই-বাছাইয়ের সময় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় খলিলুর শিৰকদের জানায়, ভর্তি পরীৰার সময় তিনি অর্ধেক এবং অন্য আরেকজন পরীৰার্থী তাকে অর্ধেক লিখে দিয়ে সহায়তা করেছিল। পরে তাকে জালিয়াতির দায়ে প্রক্টর দফতরে হস্তান্তর করা হয়। প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান তাকে পুলিশে সোপর্দ করে।
রাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ওই ভর্তিচ্ছুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ তার বির্বদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ নগরীর মতিহার থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ‘তাকে থানায় আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বির্বদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Leave a Reply