অনিয়ন্ত্রিত অটোতে বিপর্যসৱ ট্রাফিক

10/11/2017 1:02 am0 commentsViews: 44

শিৰানগরী রাজশাহীতে চলাচলের জন্য টাউনসার্ভিস নেই। ফলে এক সময়ের টমটমকে সরিয়ে যেমন রিকশা রাসৱা দখল করেছিল ঠিক সেভাবেই এখন অটোরিকশায় সয়লাব নগরী। মোড়ে মোড়ে হাঁক-ডাক দিয়ে যাত্রী নেয়া, হাত তুললেই রাসৱায় থেমে যাত্রী তোলা এবং সল্প ভাড়ার চলাচলে সুবিধা যেমন, তেমনি অটোর সংখ্যাধিক্য জনদুর্ভোগের কারণও হয়ে উঠেছে।
সিটি কর্পোরেশনের নথিতে নগরিতে রেজিস্ট্রেশনকৃত অটোরিকশার সংখ্যা সাড়ে সাত হাজার অথচ, চলাচল করছে ৩০ হাজারের কম নয়। এর মধ্যে কিছু আসে আশপাশের এলাকা থেকে। অন্যগুলো ম্যানেজ করে অথবা ডুপিস্নকেট লাইসেন্স বা নাম্বার পেস্নট ছাড়া মাসের পর মাস রাসৱায় চলে কীভাবে?
এর ফলে নগরীর কেন্দ্রস’ল সাহেববাজারে অটোজটে ট্রাফিক বিপর্যয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে। গায়ে গায়ে লেগে থাকা অটোর ভিড় ঠেলে রাসৱা পার হওয়াই দুঃসাধ্য। সাহেববাজারের প্রধান সড়কে অপরিকল্পিত ডিভাইডার দেয়ায় পরিসি’তি আরও জটিলই হয়েছে। অফিস টাইমে মাঝে মধ্যেই সব কিছু থমকে দাঁড়ানো স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।
ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক অতিরিক্ত অটোর চাপ সামাল দিতে অস’ায়ী ডিভাইডার বসানোর কথা বলা হলেও স’ায়ী ব্যবস’ার আলামত দেখা যাচ্ছে না। ফলে জনদুর্ভোগই স’ায়ী হয়ে উঠেছে। বিষয়টিকে আর কতদিন চিনৱা-ভাবনার মধ্যে রাখা হবে সেটাই এখন নগরবাসীর ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। পরিসি’তির উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস’া নেয়া যে জরম্নরি, সেটা বলার অপেৰা রাখে না।
অতিরিক্ত অটোই নগরীর দৃশ্যমান ট্রাফিক সমস্যা। এর নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনকেই ব্যবস’া নিতে হবে। রাসৱার পাশ থেকে ভাসমান দোকান ও হকার সরানো গেলে কিছুটা উপকার পাওয়া যেতে পারে। রাসৱা পারাপারের জন্য আরডিএ মার্কেটের সামনে যেমন ফুট ওভার ব্রিজ ও গ্রিল দেয়া হয়েছে তেমনি ব্যবস’া জিরো পয়েন্ট ও মনিচত্বরেও নেয়া হলে পরিসি’তির কিছুটা উন্নতি আশা করা যায়। এ ধরনের পদৰেপ ছাড়া অস’ায়ী ডিভাইডারে রাসৱা সঙ্কুচিত হয়ে জটিলতা বৃদ্ধি ছাড়া আর কি হতে পারে ?
বিষয়টি সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের কাছে গুরম্নত্ব না পেলে, বলার কিছু নেই। তবে এই জনদুর্ভোগের দায়-দায়িত্ব তারা অস্বীকার করতে পারে না।
বৃহত্তর স্বার্থেই আমরা তাদের জরম্নরি পদৰেপ কামনা করি।

Leave a Reply