আশা জাগিয়ে পথ হারাল বাংলাদেশ

28/10/2017 1:04 am0 commentsViews: 21

স্পোর্টস ডেস্ক: দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি হারলেও শেষ পর্যনৱ লড়াই করেছে বাংলাদেশ। অনৱত টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের মতো হারার আগেই হারেনি বাংলাদেশ! বস্নুমফন্টেইনের ম্যানগাউং ওভালে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেম ৪ উইকেটে দৰিণ আফ্রিকা করে ১৯৫ রান। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে বাংলাদেশের রান ১৭৫।
টস হেরে বোলিংয়ে নেমে শুরম্নতে হাশিম আমলার উইকেট নিয়ে দৰিণ আফ্রিকাকে চাপেই রেখেছিল বাংলাদেশ। মিরাজ দ্বিতীয় ওভারেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন। কিন’ পাওয়ার পেস্ন’র শেষ দুই ওভারে পাল্টে যায় চিত্র। প্রথম চার ওভারে ৩৩ রান তোলা দৰিণ আফ্রিকা পরের দুই ওভারে স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৩২ রান!
রম্নবেল ও শফিউলের ওপর ঝড়টা তোলেন ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়া এবি ডি ভিলিয়ার্স। দুই ওভারে আসা ৭ বাউন্ডারির ৬টিই মারেন ডি ভিলিয়ার্স। অপর বাউন্ডারি আসে ডি ককের ব্যাট থেকে। ডি ভিলিয়ার্স হাত খোলার পর দ্রম্নত রান পায় স্বাগতিক দল। তবে দশম ওভারের শেষ বলে বিস্ফোরক এ ব্যাটস-ম্যানকে ফিরিয়ে সফরকারী শিবিরে স্বসিৱ নিয়ে আসেন মিরাজ। ২৭ বলে ৮ বাউন্ডারিতে ৪৯ রান করে আউট হন ডি ভিলিয়ার্স।
তার ফিরে যাওয়ার পর রানের গতি কমে আসে। ১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে সাকিব প্রতিপৰের অধিনায়ক জেপি ডুমিনিকে ফিরিয়ে দ্রম্নত বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন। তবে সাকিবের থেকে কৃতিত্ব বেশি দিতে হবে ইমরম্নলকে। লং অনে রকেট গতির বল দারম্নণ দৰতায় তালুবন্দি করেন ইমরম্নল।
এরপর ১৫তম ওভারে রম্নবেল দুর্দানৱ বোলিং উপহার দেন। ৩ রান দিয়ে নেন সর্বোচ্চ রান করা ডি ককের উইকেট। ৪৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার। পঞ্চম উইকেটে ৬২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বিশাল সংগ্রহ এনে দেন ফারহান বেহারদিয়েন (৩৬) ও ডেভিড মিলার (২৫)।
বিশাল লৰ্য তাড়া করতে নেমে ডেন প্যাটারসেনের করা প্রথম ওভারের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকান ইমরম্নল কায়েস। কাগিসো রাবাদা না থাকার সুবিধাটা শুরম্নর দিকে কাজে লাগায় সফরের দুই ‘ব্যর্থ’ ব্যাটসম্যান ইমরম্নল ও সৌম্য। ওভার প্রতি দশ করে প্রথম তিন ওভারে রান তোলেন তারা। চতুর্থ ওভারেও একই রানের ধারা অব্যাহত রেখেছিলেন। কিন’ ওই ওভারের পঞ্চম বলেই ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। হেন্ড্রিকসের বলে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন ১০ রান করা ইমরম্নল।
সঙ্গী হারালেও সৌম্য থেমে থাকে-ননি। উইকেটের চারপাশে দারম্নণ শটে রানের চাকা সচল রাখেন। তার নেওয়া শট গুলোতে ছিল আত্ম-বিশ্বাস, ছিল নিখুঁত টাইমিং ও পেস্নসমেন্ট। কিন’ বড় ইনিংস খেলার সুযোগটি নিজ হাতে নষ্ট করেন ৪৭ রানে। ফিকোয়াওয়ের সোজা বল ক্রস ব্যাটে খেলতে গিয়ে এলবিডবিস্নউ হন। এর আগে সাকিব তিনে নেমে ১৩ রানে আউট হন অভিষিক্ত ফ্রাইলিঙ্কের বলে।
সৌম্য আউট হওয়ার পর কোনো ব্যাটসম্যানই মাথা তুলে লড়াই করতে পারেননি। মুশফিক (১৩), মাহমুদউলস্নাহ (৩), সাব্বির (১৯) ও মিরাজ (১৪) দ্রম্নত সাজঘরে ফেরেন। দ্রম্নত উইকেট হারানোর পাশাপাশি স্ট্রাইক রোটেট করে খেলতে না পারায় জয়ের লৰ্য বড় হতে থাকে। ফলে ভালো শুরম্নর পরও মাঝপথে পথ হারায় সাকিব আল হাসানের দল। শেষ দিকে তরম্নণ মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিজের ব্যাটিং দ্যুতি ছড়ান। ইনিংসের শেষ বল পর্যনৱ খেলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন এ অলরাউন্ডার। সফরের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ২৯ অক্টোবর।

Leave a Reply