ভার্কের নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকতার বিরুদ্ধে মামলা

14/09/2017 1:05 am0 commentsViews: 22

মোহনপুর প্রতিনিধি : ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এনজিও’র নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মোহনপুর এরিয়ার ৬টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক সকল স্টাফের পৰে বাদী হয়ে পৃথক পৃথকভাবে রাজশাহীর আমলি ১নং আদালত (মোহনপুর) ৬টি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাগুলো তদন্ত করার জন্য মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসিকে) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদিরা ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এনজিও’তে যোগদান করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন। চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বেতন থেকে নিয়মানুসারে কল্যাণ ফান্ড, প্রভিডেন্ড ফান্ড, গ্রাচ্যুইটি ফান্ড, কো-অপারেটিভ ফান্ডে কূপনের মাধ্যমে ১০ বছর ধরে নিয়মিত টাকা জমা দিয়ে আসেন। কিন্তু ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) নির্বাহী পরিচালক শেখ আব্দুল হালিম (৬৫), উপ-নির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব হোসেন (৬২), অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক আনোয়ার হোসেন (৬৫), সাবেক সেক্রেটারি সহযোগী সমন্বয়কারী ও কো-অপারেটিভ সোসাইটি শহিদুল ইসলাম (৬০), সহ-সমন্বয়কারী (প্রশাসন) ইউসুফ হোসেন (৪৫), কো-অপারেটিভ সোসাইটির সহযোগী সমন্বয়কারী ও সেক্রেটারি মাসুদ রায়হান (৪৩), অভ্যন্তরীণ প্রধান নিরীৰক রায়হান উদ্দিন সরকার (৪৮), ফেরদৌস রহমান (৪০), কোষাধ্যৰ মোস্তাফিজুর রশিদ মৃধা (৪৫) মিলে ১ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৭ শ ৫ টাকা আত্মসাত করেন। মামলায় আরো উলেৱখ করা হয়েছে, কো-অপারেটিভ সোসাইটির নামে প্রত্যেক স্টাফের কাছ থেকে প্রতিমাসে সর্বনিম্ন ৫ শ টাকা বেতন কর্তন করে আত্মসাত করেন। এছাড়াও দুযোর্গ কবলিত এলাকার ভার্কের ৰতিগ্রস্ত সদস্যদের ঋণের টাকা মওকুফের জন্য সঞ্চিত করা হলেও চলতি অর্থ বছরের জুলাই মাসে এলএলপি ফান্ডের প্রায় ১ কোটি টাকা ভার্কের সকল শাখা অফিস হতে ডকুমেন্ট মুছে দিয়ে ভূয়া সমন্বয় দেখিয়ে আত্মসাত করেন। মামলার বাদি ও সাৰী এবং অন্যান্য স্টাফরা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত চাইলে ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট মোহনপুর শাখা অফিসে উক্ত কর্মকর্তারা প্রাপ্য টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার এবং চাকরিচ্যুতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। মোহনপুর এরিয়ার ৬টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক সকল স্টাফের সাথে আলোচনা করে ৫ সেপ্টেম্বর নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক পৃথক ৬টি মামলা দায়ের করেছেন।
মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, আদালত হতে ৬টি মামলা থানায় এসেছে। তিনি আরো জানান, মামলাগুলো তদন্ত করে সঠিক তথ্য আদালতে প্রেরণ করা হবে।

Leave a Reply