নাটোরে ভ্যানচালক পাবনায় যুবক খুন

13/09/2017 1:06 am0 commentsViews: 13

সোনালী ডেস্ক: নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ভ্যানচালক ও পাবনার আমিনপুরে এক যুবক খুন হয়েছেন।
বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি জানান, নাটোরের বাগাতিপাড়ায় মোয়াজ্জেম হোসেন (৪০) নামের এক ভ্যানচালক খুন হয়েছেন। গায়ের শার্ট-লুঙ্গি ছিঁড়ে দড়ি বানিয়ে গলা ও হাত-পা পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে বড়াল নদীতে নিহতের মরদেহ ফেলে রাখে খুনিরা। মঙ্গলবার বিকেলে ভ্যানচালক মোয়াজ্জেমের বাড়ি থেকে কিছু দূরে মলিৱকপুর এলাকার বড়াল নদী থেকে তার হাত-পা ও গলা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ পাশের গ্রাম রহিমানপুর সরকারপাড়ার বিদ্যুৎ নামের একজনকে আটক করেছে। তবে নিহতের ভ্যানের কোন খোঁজ মেলেনি। পুলিশ জানায়, উপজেলার নূরপুর চকপাড়া গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন (৪০) সোমবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। সন্ধ্যায় ভ্যান নিয়ে বের হয়ে সে আর ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার পরিবারের লোকজন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ওই দিন বিকেল তিনটার দিকে স্থানীয় মলিৱ্লকপুর মোড় সংলগ্ন বড়াল নদী থেকে তার হাত পা ও গলা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তমালতলা মোড় থেকে মোয়াজ্জেম কয়েকজন যাত্রী নিয়ে বাঁশবাড়িয়ার দিকে যান। পরে রাতে তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পাননি। নিখোঁজের পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয়রা মলিৱকপুর মোড়ের পাশের লিচু বাগানে একজোড়া স্যান্ডেল দেখে পরিবারকে খবর দেন। পরে পরিবারের লোকজন ঘাসের উপরে টানা-হেঁচড়ার চিহ্ন দেখে পাশের বড়াল নদীতে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে মরদেহ দেখতে পায়। পরে খবর দিলে পুলিশ তা উদ্ধার করে। বাগাতিপাড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সব দিক বিবেচনায় নিয়ে গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় বাগাতিপাড়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
পাবনা প্রতিনিধি জানান, পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর ঢালার চরে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত মিরাজ হোসেন (১৮) আমিনপুর থানার ঢালারচর রামনারায়ণপুর গ্রামের হাসমত ম-লের ছেলে।
আমিনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম তাজুল হুদা জানান, সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা মিরাজকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ওসি আরো জানান, কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য মতে, নিহত মিরাজ চরমপন্থি দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এলাকার আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপৰের সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করতে পারে।

Leave a Reply