রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলায় খালেদা জিয়ার পরবর্তী হাজিরা ১৫ অক্টোবর

13/09/2017 1:02 am0 commentsViews: 5

এফএনএস: রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মাম-লায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরবর্তী হাজিরার জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গল-বার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক হাফিজুর রহমান এ দিন ধার্য করেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের আইন-জীবী জয়নুল আবেদিন মেজবাহ বিষয়টি জানিয়েছেন। মেজবাহ জানান, গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে খালেদা জিয়ার বিরম্নদ্ধে ১১ মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন’ বেশির ভাগ মামলা উচ্চ আদালতে স’গিত থাকায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার বিরম্নদ্ধে মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে মিরপুরের দারম্নস সালাম থানায় নাশকতার আটটি, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও যাত্রাবাড়ী থানার বিস্ফোরক ও হত্যা আইনের দুটি। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত বছরের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম রাশেদ তালুকদারের আদা-লতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই মামলায় গত বছরের ৫ এপ্রিল খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন। মামলার আরজিতে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লৰ শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’ ওই দিন খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিসৱানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’ যাত্রাবাড়ী থানার মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গেস্নারী পরি-বহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রম্নয়ারি চিকিৎসাধীন অবস’ায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামের এক যাত্রী। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার এসআই কে এম নুরম্নজ্জামান। মামলার উলেস্নখযোগ্য আসামিরা হলেন-বিএনপির চেয়ার-পারসন খালেদা জিয়া, স’ায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রম্নহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আমানউলস্নাহ আমান, বরকত উলস্নাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দ-কার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ, বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারম্নফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। অন্যদিকে, ২০১৫ সালে দারম্নস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।

Leave a Reply