সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

12/08/2017 1:09 am0 commentsViews: 44

স্টাফ রিপোর্টার: বিভিন্ন জেলায় বন্যায় আবাদ ৰতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং রাজশাহীতে টানা বর্ষণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া। সেই সাথে ঈদের সামনে পেঁয়াজের ঝাঁজ বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ ক্রেতারা হতাশ।
গতকাল শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীসহ এর উপকন্ঠের বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন জেলায় বন্যার কারণে ৰতিগ্রস্ত হয়েছে সবজি আবাদ। সেই সাথে এই এলাকায় কয়েকদিনের টানা বর্ষণে উৎপাদন বিপর্যস্ত এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবজির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে আরেকদফা বেড়েছে। গতকাল খুচরা বিক্রেতারা প্রতিকেজি আলু ২০, বেগুন ৫০, পটল ৩৫, শশা ৬০ থেকে ৮০, বিভিন্ন রকম শাক ৩০ থেকে ৪০, পেঁপে ২০, মিস্টি কুমড়া ২৫, করোলা ৪৫, প্রতিটি লাউ-কুমড়া ৩০, প্রতি হালি কলা ১৬, লেবু ১০, আদা ১শ’, রশুন ১২০, সজিনা ৮০, ঢেড়স ৪০, কাঁচা মরিচ ১শ’ টাকায় বিক্রি করেছে। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টি কেটে গিয়ে কয়েকদিন রোদ হলে সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু গতকাল থেকে আবারো টানা বর্ষণ শুর্ব হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে পেঁয়াজের দাম আরেকদফা বেড়েছে। গতকাল প্রতিকেজি পেঁয়াজ দেশি ৫০ থেকে ৫৫ এবং ভারতিয় ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ঈদের আগে এই দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানান বিক্রেতারা। তবে গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের দর নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আনা হচ্ছে। দফায় দফায় পেঁয়াজ ও সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা হতাশ।
এদিকে এলসির মাধ্যমে চাল আসা অব্যাহত থাকলেও চালের দাম নতুন করে আর কমেনি বরং সপ্তাহের ব্যবধানে চিকন চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। গতকাল খুচরা বাজারে প্রতিকেজি এলসি ৪০/৪২, মোটাচাল ( গুটিস্বর্ণা) ৪২ থেকে ৪৪, সুমন স্বর্ণা/ পারিজা ৪৪/৪৭, আটাশ চাল ৪৮ থেকে ৫২, মিনিকেট ৫২ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন চিকন চালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে।
এছাড়া গতকাল আটা খোলা ২১/২২ এবং প্যাকেট আটা ৩০/৩১ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি চিনি ৫৬ টাকায়, মসুর ডাল বড়দানা ৭০, ছোটদানা ১শ’, মুগডাল বড়দানা ১শ’, ছোটদানা ১২০, ছোলার ডাল ৯৫, এংকর ডাল ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সয়াবিন (খোলা) প্রতি লিটার ৮০ টাকায় এবং বোতলজাত ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে গতকাল প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০, সোনালী ১৮০ এবং দেশি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি ছোটমাছ নাম ভেদে ১৫০ থেকে ৫শ’, র্বই-কাতলা ১৬০ থেকে ২৫০, সিলভার কার্প ১১০ থেকে ১৫০, পাংগাস ১১০ থেকে ১৩০, ইলিশ ৭শ’ থেকে ১২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল প্রতিকেজি গর্বর মাংস ৪৬০ থেকে ৪৮০, খাসির মাংস ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিহালি সাদাডিম ২৮ ও লালডিম ৩২ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

Leave a Reply