সোনালী ডেস্ক: দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সকল ফ্লাইট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীৰা-নিরীৰার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সবগুলো ফ্লাইট পরীৰা-নিরীৰার পর এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনও জমা দিতে সিভিল অ্যাভিয়েশনকে নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক এসব তথ্য জানান।
গতকাল বুধবার ঢাকা থেকে ১১ শিশুসহ ১৭১ আরোহী নিয়ে কঙবাজার বিমানবন্দরে নামতে গিয়ে যান্ত্রিক গোলযোগের মুখে পড়ে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট। পরে সেটি ভয়ানক ঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জর্বরি অবতরণ করে। শিশুসহ যাত্রী-ক্রুরা অল্পের জন্য রৰা পান।
এর আগে গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট বিধ্বস্ত হলে ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি এবং একজন চীনা যাত্রীসহ মোট ৫১জনের প্রাণহানি হয়। সবশেষ গত বুধবার বেসরকারি বিমান সংস্থাটির ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে জর্বরি অবতরণের কারণে এভিয়েশন সেক্টরে ও বিমান যাত্রীদের মধ্যে এক অবিমিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
তবে সেদিন চট্টগ্রামে জর্বরি অবতরণের ঘটনায় প্রশংসিত হয়েছেন উড়োজাহাজটির পাইলট ক্যাপ্টেন জাকারিয়া। সামনের নোজ হুইল গিয়ার অকেজো অবস্থায় তিনি পেছনের চাকার ওপর ভর করে উড়োজাহাজটি ক্রাশ ল্যান্ডিং করান। এসময় বিমানটিতে আগুনের ধোঁয়া দেখা যায়। এক পর্যায়ে গতি থেমে এলে র‌্যাফট (ইমার্জেন্সি এঙিট) দিয়ে উড়োজাহাজটির যাত্রীসহ ক্রুরা নিরাপদে নেমে আসতে সৰম হন।