চাল আমদানিতে শুল্ক ছাড়

২০/০৫/২০১৭ ১:০৪ পূর্বাহ্ণ০ commentsViews: 6

কয়েক বছরে ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় বাংলাদেশ চালের ৰেত্রে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হয়। সরকারের পৰ থেকে বলা হচ্ছে, lunette de soleil ray ban এখনো দেশে পর্যাপ্ত চাল মজুদ আছে। বাম্পার ফলনের কারণে বিদেশ থেকে চাল আমদানি নিরম্নৎসাহিত করতে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর থেকে চালের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়। সঙেগ ৩ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি যোগ করায় মোট আমদানি শুল্ক দাঁড়ায় ২৮ শতাংশ। এতে লাভ হয়েছে এই যে গত দেড় বছর চাল আমদানি অনেকটাই বন্ধ ছিল। এর মধ্যে আমদানি শুল্ক কমানোর জন্য ব্যবসায়ীরা দাবি জানালেও সরকার সিদ্ধানেৱ অনড় থাকে। বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে গিয়ে সি’তিশীল হয়। কিনৱু হাওরাঞ্চলে সামপ্রতিক অকাল বন্যায় ফসলহানির পর চালের বাজার আবার অসি’তিশীল হয়। সাধারণ মানুষের মজুদপ্রবণতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী চালের বাজার অসি’তিশীল করে তোলার চেষ্টা করে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান কাটা চলছে পুরোদমে। এ অবস’ায় বাজারে চালের দাম কমার কথা। কিনৱু হাওরে বন্যা ও অতিবৃষ্টিকে পুঁজি করে বাজারে কৃত্রিম সঙকট সৃষ্টি করা হয়। এমনিতে এপ্রিলের শেষের দিক থেকেই বাজারে নতুন চাল আসা শুরু হয়। কিনৱু এবার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফসল উঠতে বিলম্ব হয়। বাজারের এই অসি’তিশীল পরিসি’তি নিয়ন্ত্রণ করতেই চাল আমদানিতে আরোপিত শুল্ক সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়। দেশে প্রধান খাদ্যপণ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় চাল। কাজেই চালের বাজার অসি’তিশীল হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সর্বত্র। দেশে যে চাল মজুদ আছে, air max 2017 heren তাতে কোনো সঙকট হওয়ার কথা নয়। সরকারের পৰ থেকেও বলা হচ্ছে,

Leave a Reply