রাজশাহীর উন্নয়নে আশাবাদী সকলে

14/05/2017 1:04 am0 commentsViews: 56

পশ্চাদপদ জনপদ হিসেবে পরিচিত উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র রাজশাহী মহানগরীর চেহারা অনেক পাল্টে গেছে। ৮-১০ বছর পর এখন যারা এই নগরীতে পা রাখবেন তাদের অনেক কিছুই চিনতে কষ্ট হবে। সেই ধুলিধুসরিত রাজপথ আর নেই। আলো ঝলমলে শপিং মল আর আকাশ ছোঁয়া আধুনিক বহুতল ভবনের সংখ্যা বাড়ছেই। শিৰা নগরী খ্যাত রাজশাহীর শিৰা প্রতিষ্ঠানগুলিও পুরানো চেহারা ঝেড়ে ফেলে আধুনিক হয়ে উঠছে। স্কুল-কলেজগুলির ভবন নির্মাণে সরকারি সহযোগিতার অভাব হচ্ছে না। সেই সাথে কর্মসংস’ানেরও আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ঠিকই রাজশাহীর একটি আধুনিক নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সম্প্রতি নগরীর ঐতিহ্যবাহী মুসলিম হাই স্কুলের ৬ তলা বিশিষ্ট ভবনের প্রথম তলা একাডেমিক ভবন হিসেবে ভিত্তিপ্রস্তর স’াপনকালে রাজশাহীর উন্নয়নে সরকারি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। শুধু শিৰা ৰেত্রে নয়, অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়ন না ঘটলে তা সাধারণ মানুষের কল্যাণ বয়ে আনে না সেটাও বলেছেন তিনি। জাতীয় সংসদে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাসের পর এরমধ্যেই বাস্তবায়ন শুর্ব হয়েছে। পিজি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। এছাড়া রাজশাহী কোর্টের পাশে জিয়া নগরে  আইটি ভিলেজ হচ্ছে যেখানে ১৪ হাজার তর্বণ-তর্বণীর কর্মসংস’ান হবে। সেখানে কম্পিউটার টেকনোলজি সম্পর্কে শিৰার ব্যবস’া থাকবে। ফলে কর্মসংস’ানের সুযোগ আরও বেড়ে যাবে। বিমান বন্দরের উন্নয়নের ফলে রাজশাহীতে কার্গো বিমান চলাচল শুর্ব হলে এখানকার কৃষিজাত পণ্য, ফলমূলও দেশের অন্যান্য স’ানের মতো বিদেশে নেওয়ার সুযোগ খুলে যাবে। এ সবের কারণে রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নের সাথে সাথে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
এভাবেই উন্নয়নের ৰেত্রে দ্র্বতই রাজশাহীর পশ্চাদপদ পরিচয় মুছে যাবে এমন আশায় এখন বুক বাঁধতে পারেই রাজশাহীবাসী। এ জন্য এখানকার জনপ্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক-সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতাদের ভূমিকা অস্বীকার করা যাবে না। তাদের সম্মিলিত প্রয়াসে আজকে যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে সেটা যাতে যৌক্তিক পরিণতি লাভ করে সেটাই এখন সকলের কাম্য। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদী না হয়ে পারা যায় না।

Leave a Reply