লালনশাহ্‌ মুক্তমঞ্চের বেহাল দশা

09/05/2017 1:04 am0 commentsViews: 25

শিৰানগরী রাজশাহীতে চহিদার তুলনায়  বিনোদনের সুযোগ কম। ফলে ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড় লৰ্য করা যায় পদ্মা পাড়েই।  সেখানে বাঁধের ধারে বেশ কিছু স্পট বিকাল হলেই কোলাহল মুখরিত হয়ে ওঠে। বাঁধের ওপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বসার স’ান খালি পাওয়া কঠিন। নগরবাসীর চাহিদা মেটাতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) যে কটি স্পট গড়ে তুলেছে তার মধ্যে লালনশাহ্‌ মঞ্চ অন্যতম। কিন’ দেখভালের অভাবে সেখানে এখন গর্ব-ছাগলের গোয়াল গড়ে উঠেছে।
নগরীর পাঠানপাড়া এলাকার পদ্মা পাড়ে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে লালনশাহ মুক্তমঞ্চ, পিকনিকস্পট, হাঁটার রাস্তাসহ বাচ্চাদের খেলাধুলার ব্যবস’া সহজেই মানুষের দৃষ্টি কাড়ে। বাঁধের  ওপরে লোহার গ্রিল ও জাল দিয়ে  স’ানটির সুরৰা নিশ্চিত করা হয়েছিল। কিন’ এখন সবকিছুই বেহাল দশা। ৪/৫ জায়গার গ্রিল ও জাল ভেঙে চলার পথ করা হয়েছে। সেই পথে অবাধে গর্ব-ছাগল নিয়ে যাওয়া হয়। পূর্বদিকের মাঠ দখল করে গর্ব-ছাগলের থাকার ব্যবস’া করা হয়েছে গোয়াল ঘরের মতই। পালা দেওয়া আছে খড়ের গাদা। সেখান থেকে গর্ব-ছাগলের মল-মূত্রের দূর্গন্ধ  ভেসে আসে ভ্রমণ পিপাসুদের নাকে। বাচ্চাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে দূরে সরে যেতে হয় পরিবারসহ আসা লোকজনকে।
অথচ লালন মঞ্চ তৈরির লৰ্য ছিল ভিন্ন। এখানে পদ্মার নির্মল বাতাসে অবসর কাটাবে নরনারী। বাচ্চারা খেলাধুলা করবে। মঞ্চে সাংস্কৃতিক চর্চা হবে। শিৰা নগরীর জন্য খুবই উপযুক্ত পরিকল্পনা। এর দেখভালের  দায়িত্ব ছিল রাসিক কর্তৃপৰের। কিন’ সংশিৱষ্টদের গাফিলতি প্রমাণের  অপেৰা রাখে না। ৰমতা ফিরে পেয়ে মেয়রের দৃষ্টিতেও কি পড়েনি লালনমঞ্চের দুর্দশা ও ভ্রমণ পিপাসুদের দুর্ভোগ?
লালনশাহ্‌ মঞ্চসহ পদ্মাপাড়ের অব্যবস’া দূর করা খুবই জর্বরি। রাজশাহীবাসীর অবসর  বিনোদনের বিষয়টি আর কত উপেৰা-অবহেলার শিকার  হয়ে থাকবে ? রাসিক কর্তৃপৰ কালবিলম্ব না করে কার্যকর পদৰেপ নেবে এবং অব্যবস’ার জন্য দায়ীদের বির্বদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস’া নেবে এটাই সবার কাম্য।

Leave a Reply