সুন্দরবন রৰায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রামপালের পরিবর্তে বিকল্প জায়গায় বিবেচনা কর্বন

21/04/2017 1:05 am0 commentsViews: 5

সোনালী ডেস্ক:  বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সভা ৰোভের সাথে লৰ্য করছে যে, দেশের মানুষের দাবীকে উপেৰা করে সরকার রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স’াপনে চূড়ান্ত পদৰেপ নিতে চলেছে। ইতোমধ্যে ভারতের এক্সিম ব্যাংকের সাথে ঋণ চুক্তিপত্র হস্তান্তর হয়েছে যার শর্তাবলী বাংলাদেশের অনুকূলে নয় বলে প্রতিয়মান হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টি পূর্বাপর বলে এসেছে যে, সুন্দরবন ও পরিবেশ রৰার স্বার্থে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রামপালের পরিবর্তে বিকল্প জায়গায় স’াপন করা প্রয়োজন। ওয়ার্কার্স পার্টি এখনো মনে করে যে, সুন্দরবন রৰার স্বার্থে সরকার এই বিষয়টি পূণ:বিবেচনা করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর দু’দিনব্যাপী সভার শেষ দিনের আলোচনায় এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পলিটব্যুরো সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিসি’তি সহ সাংগঠনিক বিষয়ে পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বিস্তারিত রিপোর্ট তুলে ধরেন।
সভার প্রস্তাবে বলা হয়, গত কয়েকদিন যাবৎ ঢাকা মহানগরে গণ পরিবহনে শৃঙ্খলা আনায়োনের নামে সিটিং সার্ভিস বাতিলের যে নাটক হলো তা মূলত বাস মালিকদের স্বার্থেই করা। আর এই নৈরাজ্যের শিকার হলো যাত্রী সাধারণ। প্রস্তাবে বলা হয় বাস ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকারের অসহায়ত্ব সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়াবে। প্রস্তাবে বাসযাত্রীদের স্বার্থ রৰা গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লৰ্যে সরকারি উদ্যোগে বিআরটিসির বাস বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।
সভার প্রস্তাবে হঠাৎ করে চালের মূল্য সহ দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এই মূল্য বৃদ্ধি সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি। এই মূল্য বৃদ্ধির ফলে জনজীবনে যে সংকট বাড়বে, এ ব্যাপারে সরকারকে দাম কমাবার প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের আহ্বান জানান হয়।
সভার অপর প্রস্তাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের ব্যর্থতা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে হাওড় অঞ্চলের ফসলহানী ও মৎস্য সম্পদের ৰতি ঐ অঞ্চলের জনগণ নিদার্বণ ৰতির মুখে পড়েছে। এই অবস’ায় হাওড় অঞ্চলকে দূর্গত এলাকা ঘোষণা করা উচিৎ। ৰতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষকের সুদ সহ ব্যাংক ঋণ মওকুফ এবং এনজিও ঋণ আদায় বন্ধ এবং সুদ মওকুফের আহ্বান জানান হয়।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন, কমরেড বিমল বিশ্বাস, কমরেড আনিসুর রহমান মলিৱক, কমরেড নুর্বল হাসান, কমরেড শুশান্ত দাস, কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক, কমরেড নূর আহমদ বকুল, কমরেড হাজেরা সুলতানা, কমরেড কামরূল আহসান, কমরেড আমিনুল ইসলাম গোলাপ, কমরেড অ্যাড. মুস্তফা লূৎফুলৱাহ প্রমুখ।

Leave a Reply