ধর্মের চর্চা না থাকলে বিবেক কাজ করে না: মোহাম্মদ আলী সরকার

12/04/2017 1:06 am0 commentsViews: 22

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার বলেছেন, ধর্মের চর্চা না থাকলে মানুষের বিবেক কাজ করে না। তখন মানুষ বিপথে পা বাড়ায়। মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি হয়। সমাজে ঘটতে থাকে নানা অঘটন। তাই প্রত্যেক মানুষকে তার নিজ নিজ ধর্ম সঠিকভাবে চর্চা করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে মহাবীর পূজা উৎযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রহনপুরের মহবীর মন্দির কমিটি এই পূজার আয়োজন করে।
মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন’ সাম্প্রদায়িক চেতনার কিছু মানুষ দেশে জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে রহনপুর মহন্ত আখড়ার সেবায়েত খিতিশ চন্দ্র আচারি মহাবীর মন্দির ভবন নির্মাণের জন্য জমি দানের ঘোষণা দেন। এ সময় স’ানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা মন্দির ভবন নির্মাণের জন্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সহযোগিতা কামনা করেন। মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, রহনপুর তার জেলার বাইরে। তাই তিনি জেলা পরিষদ থেকে সহায়তা করতে পারবেন না। তবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তিনি ওই মন্দির তৈরি করে দেবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অনিল সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী জেলা পরিষদের সংরৰিত নারী ওয়ার্ডের সদস্য কৃষ্ণা দেবী, জয়জয়ন্তী সরকার মালতী, রহনপুর পৌরসভার মেয়র তারিক আহমদ ও পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, স’ানীয় যুবলীগ নেতা শফি আনসারী, আদিবাসী নেতা শংকর রায়, উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সহ-সভাপতি নীরেন দাস ও রহনপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি ফার্বক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কুমার সাহা। সভাপতিত্ব করেন জয়যাত্রা মহাবীর পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি বিজয় চক্রবর্তী। আর সঞ্চালনায় ছিলেন শিৰক গৌতম রায়।
এর আগে সকালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার মন্দিরে গিয়ে পূজার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি ফিতা কেটে পূজা উৎযাপনের উদ্বোধন করেন। গোমস্তাপুর উপজেলায় একমাত্র এই মন্দিরটিতেই মহাবীর বজরঙ্গবলীর পূজা অর্চনা হয়ে থাকে।

Leave a Reply