দাবদাহ আর লোডশেডিং : অতিষ্ঠ নগরবাসী

10/04/2017 1:02 am0 commentsViews: 43

চৈত্রের দাবদাহে পুড়ছে রাজশাহী। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সাথে পালস্না দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিংও। ঘরে-বাইরে গরমে হাঁসফাঁস অবস’া নগরবাসীর। বৈশাখে পরিসি’তি কী হবে, কে জানে ?
রাজশাহীতে চৈত্রের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। বেশ দ্রম্নত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ায় আগুন ঝরাতে শুরম্ন করে তপ্ত প্রকৃতি। এ অবস’ায় ঘরে আশ্রয় নিয়েও স্বসিৱ নেই। লোডশেডিংয়ের আনাগোনা সেখানেও গরমে সিদ্ধ হওয়ার যোগার।  এ অবস’ায় কোথায় যাবে মানুষ একটু শীতল হতে ?
কেন ঘন ঘন লোডশেডিং সে প্রশ্নের উত্তর অজানা। দেশ এখন রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৰম। সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা করছে। বিভিন্ন স’ানে তেমন পদৰেপের উদ্বোধনও হচ্ছে। এ অবস’ায় লোডশেডিং-এর কারণ বোঝা সত্যিই দুষ্কর।
বিদ্যুৎ বিভাগের মতে রাজশাহীতে বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই। চাহিদা  পূরণের সৰমতা সত্ত্বেও এমন পরিসি’তির কারণ হতে পারে বিতরণ ব্যবস’ায়  বিশৃঙ্খলা। উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস’ায় অসঙ্গতি দেখা দিলে বিশৃঙ্খলা এড়ানো যে কঠিন সেটা নতুন কথা নয়।
রাজশাহীতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সমস্যা নিয়ে এর আগেও  অনেক লেখালেখি হয়েছে। লিখেছি আমরাও। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে নিম্নমানের উপকরণ ও পুরানো তারের কারণে সামান্য কারণেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। ফলে লোডশেডিংয়ের শিকার হতে হয় নগরবাসীকে। পরিসি’তির যে পরিবর্তন হয়নি সেটা দেখাই যাচ্ছে ঝড়-বৃষ্টি  ছাড়া এই সময়ে।
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুর্বলতা যদি জরম্নরি ভিত্তিতে দূর করা না যায় তবে চৈত্র শেষে পরিসি’তির অবনতি ঠেকিয়ে রাখা কষ্টসাধ্য হবে, বলতে অসুবিধা নেই। কালবৈশাখীর ছোবলে ত্রম্নটিপূর্ণ সঞ্চালন লাইন ঠিক থাকবে, কে বলতে পারে ? বিদ্যুৎ ব্যবস’া লন্ডভন্ড হলে  শুধু মানুষকে দুর্বিষহ অবস’ায় পড়তে হবে না, কৃষি-শিল্প উৎপাদনও ব্যাহত হবে। তাই এখনই সঞ্চালন লাইন সংস্কারে পদৰেপ নিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা নিশ্চিত করতে  হবে। বিষয়টি অগ্রাধিকার দাবি করে।

Leave a Reply