আসামি আশিকের ডাবল মৃত্যুদ-

05/04/2017 1:08 am0 commentsViews: 26

স্টাফ রিপোর্টার: মুক্তিপণের দাবিতে সাত বছরের শিশু মেঘদাদকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে আসামি আশিক ম-লকে পৃথক পৃথক ধারায় ডাবল মৃত্যুদ-ে দ-িত করা হয়েছে।
রাজশাহীর দ্র্বত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) শিরীন কবিতা আখতার গতকাল মঙ্গলবার আসামির উপসি’তিতে এই মামলার রায় প্রদান করেন। রায়ে মৃত্যুদ- ছাড়াও আসামি আশিককে ১৭ বছর সশ্রম কারাদ- এবং ৪০ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। আসামি আশিক ম-ল বগুড়ার আদমদীঘি থানার পশ্চিম লুকো কলোনী দীঘিরপাড়া শান্তাহারের  আকতার হোসেন ওরফে বাবুর ছেলে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে ২০১৪ সালের ২৯ জুলাই সকাল অনুমান সাড়ে ৮ টার দিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার জন্য রাশেদুল ইসলাম তার শিশু পুত্র মেঘদাদকে নিয়ে বশিপুর ঈদগাহ মাঠে যায়। নামাজ শেষে মাঠ সংলগ্ন আনন্দ মেলায় মেঘদাদ খেলনা কিনতে যায়। রাশেদুল তার পিতা আব্দুর রাজ্জাককে শিশু মেঘদাদকে নিয়ে বাড়ী আসার জন্য বলে পারিবারিক কবরস’ানে জিয়ারতের জন্য যায়।
বাড়ী ফিরে পিতার নিকট জানতে পারে মেঘদাদকে পাওয়া যাচ্ছে না। এর এক পর্যায়ে রাশেদুলের মোবাইলে কল করে মেঘদাদকে ফিরে পেতে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করা হয়। পরদিন ৩০ জুলাই পুনরায় ফোন করে ৩ লাখ টাকা দাবি করে বলা হয় এ ঘটনা পুলিশকে জানালে ছেলের লাশ পাওয়া যাবে। এ ঘটনায় অবশেষে রাশেদুল ২ আগস্ট আদমদীঘি থানায় এজাহার দায়ের করেন।
আদমদীঘি থানার মামলা নং-৩, তারিখ ২/৮/২০১৪ ইং। মামলার পর ৩ আগস্ট আসামি আশিককে গ্রেফতার ৪ আগস্ট পুলিশ রিমান্ডে নেয়া হয়। ওই দিনই দিন গত রাত রাত ২ টার সময় আসামির দেখানো মতে বশিপুর গ্রামের পরিত্যাক্ত গেঞ্জি মিলের অভ্যন্তরে মাটিতে পুঁতে রাখা হাত, মুখ বাঁধা অবস’ায় শিশু মেঘদাদের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। মামলাটি বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অত্র ট্রাইব্যুালে প্রেরন করা হলে এই মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্রপৰে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি এন্তাজুল হক বাবু এবং আসামি পৰে ছিলেন এড. মিজানুল ইসলাম।

Leave a Reply