অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তৰেপ না করার খসড়া প্রস্তাব

০৩/০৪/২০১৭ ১:০৬ পূর্বাহ্ণ০ commentsViews: 7

সোনালী ডেস্ক: কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তৰেপ প্রতিরোধে আইপিইউ সম্মেলনে একটি খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে মেক্সিকো। সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলো সমর্থন করলেও উন্নত দেশের প্রতিনিধিরা এ প্রস্তাব বাতিলের দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সম্মেলনে উপসি’ত প্রতিনিধের মধ্যে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই ঠিক হবে প্রস্তাবটি থাকবে নাকি বাতিল হবে। দুই-তৃতীংশ ভোট পেলে প্রস্তাব গৃহীত হবে।
রোববার (০২ এপ্রিল) বিকেলে ১৩৬তম আইপিইউ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের আলোচনা শেষে এসব কথা জানান  জানান আইপিইউ‘র মিডিয়া রিলেশন জেন মিলিগান। খসড়া প্রস্তাবে উন্নত দেশগুলোর জোট গ্র্বপ-১২ পৱাস এ খসড়া বাতিলের দাবি করেছে।
আলোচনা শেষে সংসদ সদস্য  ফার্বখ খান সাংবাদিকদের জানান, আইপিইউ-এর স্ট্যান্ডিং কমিটি-১ এ আলোচনাটা ছিল, জেনেভাতে পূর্ববতী আলোচনায় একটা রেজ্যুলেশন তৈরি হয়েছে, আন্তর্জাতিক পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি নিয়ে। ওই রেজ্যুলেশনের ব্যাপারে আলোচনা চলেছে। বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ আলোচনা করেছিল। রেজ্যুলেশনটা চেঞ্জ করা দরকার। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো কোনো উন্নত শক্তিশালী দেশ কখনও দুর্নীতি, কখনও গণতন্ত্র, কখনও জঙ্গিবাদ বা কোনো একটা ছুতো ধরে কোনো কোনো দেশের মধ্যে ইন্টারভেইন করে, হিউম্যান রাইটসের নাম করে ইন্টারভেইন (হস্তৰেপ) করে। এরফলে ওই দেশের অবস’া ভালো হয় না বরং সারা পৃথিবীর অবস’া খারাপ হয়।
ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সম্মেলনে আগত অতিথিরা/ছবি: দীপু মালাকাররাশিয়া, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ভারত, ভিয়েতনাম, চাদ, ফিলিস্তিন, থাইল্যান্ডসহ অংশ নেয়া ৪০টি দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে উন্নত দুই-একটা রাষ্ট্র রেজ্যুলেশনটা ভালো বললেও অধিকাংশ দেশই এটা পরিবর্তন করা দরকার আলোচনা করেছে বলে জানান ফার্বক খান।
তিনি বলেন, উন্নত দুই-একটা রাষ্ট্র বলছে, এই রেজ্যুলেশনটা ভালো। কিন’ ৩৫ দেশই বলেছে যে, এটাতে পরিবর্তন  দরকার। কেউ কিন’ বলেনি রেজ্যুলেশনটা বাদ দাও। তবে কেউ কেউ কিছু জায়গায় পরিবর্তন করার কথা বলেছে। আমরা আশা করছি এটা বিবেচনায় নেয়া হবে। ‘আমরা একাত্তরের গণহত্যার কথা এবং রোহিঙ্গাদের কথা তুলে ধরেছি। এছাড়াও ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের মতো এশিয়ান পার্লামেন্ট করা যায় কি না এমন একটা প্রস্তাব আসছে, যোগন করেন ফার্বক খান। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের বক্তব্যে একাত্তরের গণহত্যার কথা তুলে ধরে বলেছি, এই গণহত্যা বন্ধ করা দরকার। রোহিঙ্গা সমস্যার কথা বলেছি, সেখানেও কিন’ এক ধরনের অত্যাচার হচ্ছে। আগামীতে একটা খারাপ অবস’ার সৃষ্টি হতে পারে।

Leave a Reply