জামানতি ঋণের বিপরীতে চেক নেওয়া অবৈধ নয় কেন: হাইকোর্ট

২১/০৩/২০১৭ ১:০৫ পূর্বাহ্ণ০ commentsViews: 6

এফএনএস: জামানত রাখার পরেও ঋণের বিপরীতে ঋণগ্রহিতার কাছ থেকে চেক নেওয়া কেন অবৈধ ও এখতিয়ার বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে র্বল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এম ফার্বকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ র্বল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মিজানুল হক চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, রেদোয়ান আহমেদ রানজীব ও রোকন উদ্দিন মো. ফার্বক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলে রাব্বি খান। পরে মিজানুল হক বলেন, কুমিলৱার ব্যবসায়ী আবু মো.ইউসুফ ২০১২ সালে যমুনা ব্যাংকের লাকসাম শাখা থেকে স’াবর সম্পত্তি জামানত এবং সিকিউরিটি চেক জমা রেখে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা ঋণ নেন। পরবর্তীতে তিনি ঋণ খেলাপি হওয়ার পরে ২০১৫ সালে যমুনা ব্যাংক তার বির্বদ্ধে চেক প্রতারণার মামলা হিসেবে পরিচিত এনআই অ্যাক্টে মামলা করেন। যে মামলায় কুমিলৱার বিচারিক আদালত গত বছরের ২৬ জুন ওই ব্যবসায়ীর বির্বদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মিজানুল হক আরও জানান, অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ৫(১) মতে, অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (৫) ও (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় সম্পর্কিত যাবতীয় মামলা ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত, ঘোষিত বা গণ্য হওয়া অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করিতে হইবে এবং ওই আদালতেই উহাদের নিষ্পত্তি হইবে। কিন’ তারা অর্থ ঋণ আদালতে মামলা না করে এনআই অ্যাক্টে মামলা করেন। এ ছাড়া স’াবর সম্পত্তি জামানত থাকা সত্ত্বেও সিকিউরিটি চেক নিয়ে করা মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এ রিট করা হয় বলে জানান মিজানুল হক। তিনি বলেন, এ রিটের শুনানি নিয়ে আদালত র্বল জারি করেন। র্বলে তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক জামানতি ঋণের বিপরীতে পোস্ট ডেইটেট ও আনডেইটেড চেক সিকিউরিটি হিসেবে নেওয়া কেন অবৈধ ও এখতিয়ার বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন। একইসঙ্গে আবু মো. ইউসুফের বির্বদ্ধে কুমিলৱার আদালতে চলমান মামলার কার্যক্রম কেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছেন। চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, যমুনা ব্যাংকের এমডি, কুমিলৱার সংশিৱষ্ট আদালত ও যমুনা ব্যাংকের লাকসাম শাখাকে র্বলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply