যমুনায় হবে আরেকটি সেতু

20/03/2017 1:08 am0 commentsViews: 63

স্টাফ রিপোর্টার: উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রেলযোগাযোগ আরও বাড়াতে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে আরেকটি প্যারালাল সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এই সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া শুর্ব হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।
গতকাল রবিবার দুপুরে রাজশাহী-খুলনা-রাজশাহী র্বটের আন্তঃনগর ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নতুন কোচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন মন্ত্রী। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, ‘রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলে এবং পশ্চিমাঞ্চলে আরও বেশি করে ট্রেন প্রয়োজন আছে। কিন’ যমুনার ওপরে যে সেতু আছে, তাতে বেশি ট্রেন চালানোর ক্যাপাসিটি নাই। তাই প্রধানমন্ত্রী কী নির্দেশ দিয়েছেন জানেন? তিনি বলেছেন- যমুনার ওপর যে রেল ব্রীজ আছে, তার সাথে আরেকটি প্যারালাল ব্রীজ করা হবে।’
মন্ত্রী বলেন, এই ব্রীজের নাম বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু। জাপানি অর্থায়নে এই ব্রীজটি করা হবে। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। এখানে কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। নির্মাণ কাজের অতি তাড়াতাড়ি আমরা টেন্ডার কল করবো। টেন্ডার কল করে যারা নির্মাণ কাজের ঠিকাদার তারা অতি তাড়াতাড়ি কাজ শুর্ব করবেন। যমুনার ওপর বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে ব্রীজ আরেকটি হবে। আরও বেশি করে ট্রেন আসবে, উত্তরাঞ্চল-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা রেলের মাধ্যমে আরও বেশি করে সেবা পাবেন।’
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও রাজশাহী মহানগরের সভাপতি এএইচএম খায়র্বজ্জামান লিটন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওদুদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সদর দপ্তর শাখার সভাপতি মোতাহার হোসেন প্রমূখ বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস’াপক খায়র্বল আলম।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মুজিবুল হক রাজশাহী-খুলনা-রাজশাহী র্বটে চলাচলকারী ‘কপোতাৰ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিতে ভারত থেকে আনা লাল-সবুজ কোচের উদ্বোধন করেন। ১২টি বগি নিয়ে দুপুর সোয়া ২টায় ট্রেনটি রাজশাহী থেকে খুলনার পথে যাত্রা শুর্ব করে।
এর আগে গতকাল দুপুরে রেলমন্ত্রী রেলপথে রাজশাহী আসেন। বিকেলে তিনি রেলওয়ে শ্রমিক লীগের রাজশাহীর দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। পরে রাতেই মন্ত্রী রেলপথে ঢাকা ফিরে যান।

Leave a Reply