বাগমারায় কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতককে পেয়ে খুশি মাস্টার দুলাল দম্পতি

15/03/2017 1:02 am0 commentsViews: 44

বাগমারা থেকে বিশেষ প্রতিনিধি: বাগমারার হাটগাঙেগাপাড়া-ভবানীগঞ্জ সড়কের মাথাভাঙা তিন মাথার মোড়ের পাশে ঝোপ-ঝাড়ের মধ্যে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক শিশুটিকে লালন-পালনের দায়িত্ব নিয়েছেন বাসুপাড়া ইউনিয়নের বালানগর গ্রামের নিঃসনৱান বিএসসি শিৰক দুলাল দম্পতি। নিজের সনৱান হিসেবে লালন-পালনের দায়িত্ব নিয়ে অনাকাঙিৰতভাবে বাচ্চাটি পাওয়ায় ওই পরিবারে নেমে এসেছে আনন্দের জোয়ার। নিঃসনৱান এই দম্পতির বাড়িতে বাচ্চাটি সুস’ আছে এবং বাচ্চাটিকে একনজর দেখতে এলা-কার শত শত লোক ওই বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন।
মঙগলবার দুপুরে ভবানীগঞ্জ বাজার থেকে বাচ্চাটির জন্য নতুন জামা-কাপড় ও খাবারসহ হরেক রকমের মাল-সামানা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন দুলাল মাস্টার। এসময় তিনি এ প্রতিবেদকের জানান, বাচ্চাটি কার তা আমি জানি না। এমন ফুটফুটে চেহারার বাচ্চাটি শুধুমাত্র একটি কাপড় দিয়ে জড়িয়ে কে বা কারা ঝোপঝাড়ের মধ্যে ফেলে রেখে গেছে তাও জানা যায়নি। তবে অনাকাঙিৰতভাবে বাচ্চাটি পাওয়ায় আমি ও আমার স্ত্রী উভয়েই মহাখুশি। এ জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে হাজারো শুকরিয়া জানাই। দীর্ঘ দাম্পত্যজীবনে আমাদের কোন সনৱান নেই। তাই বাচ্চাটি পাওয়ায় মনে হচ্ছে ‘এ যেন ভাঙা ঘরে নতুন চাঁদ’। তাই এই কন্যা সনৱানটির নামও ‘চাঁদনী’ রাখবো বলে সি’র করেছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আকিকা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাচ্চাটির নাম (চাঁদনী) ঘোষণা করা হবে বলে জানান দুলাল মাস্টার।
উলেস্নখ্য, সোমবার দুপুরে উপজেলার হাটগাঙেগাপাড়া-ভবানীগঞ্জ সড়কের মাথাভাঙা তিন মাথার মেেেড়র পাশে একটি চায়ের দোকানের অদূরে রাসৱার নিচে ঝোপ-ঝাড়ের মধ্যে নাড়ি না কাটা অবস’ায় এক নবজাতক কন্যাশিশুকে দেখতে পান এক ট্রাক চালক। পরে স’ানীয় লোকজন এসে শিশুটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। এরপর বালানগর গ্রামের নিঃসনৱান দম্পতি দুলাল মাস্টার ও তার স্ত্রী ওই নবজাতক শিশুটিকে নিজের সনৱান হিসেবে লালন-পালনের জন্য অনুরোধ জানালে স’ানীয়রা বাচ্চাটি এই দম্পতির হেফাজতে দিয়ে দেন।

Leave a Reply