৬১ জেলার উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা

09/03/2017 1:05 am0 commentsViews: 11

এফএনএস: প্রতিটি জেলার উন্নয়নে প্রায় দেড় কোটি টাকা করে ৬১ জেলায় মোট ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন স’ানীয় সরকার, পলৱী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর স্বাস’্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলনায়তনে জেলা পরিষদগুলোর নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সঙ্গে এক মতবিনিমিয় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। এ মতবিনিময়ের আয়োজন করে স’ানীয় সরকার, পলৱী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রতিটি জেলার উন্নয়নে দেড় কোটি টাকা করে ৬১ জেলায় মোট ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। জেলাগুলোর উন্নয়নের জন্য গতকাল বুধবার এই ঘোষণা দেওয়া হলো। তবে চেয়ারম্যানদের যতো দেওয়া হয় তারা আরও বেশি চান। তাদের মন পাওয়া সত্যিই কষ্টসাধ্য। এ ছাড়া জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়েছে একটি আইনের মধ্যে। তাই আইনের বাইরে কোনো কিছু করা কিংবা বলা সম্ভব নয়। জেলা পরিষদকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নজাল উলেৱখ করে মন্ত্রী বলেন, একটি উন্নত দেশ করতে হলে সারাদেশের উন্নয়ন করতে হবে। কাজেই সার্বিক উন্নয়ন না করা গেলে কোনো উন্নয়নই সফলতা বয়ে আনতে না। এজন্য সবাইকে একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করতে হবে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের উদ্দেশ্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রত্যেকটি জেলা পরিষদের মুখকে উজ্জ্বল করতে হবে। কেননা সবই সরকার করলে আপনারা কেন নির্বাচন করে চেয়ারম্যান হলেন? তাহলে তো চেয়ারম্যান না হলেও হতো। তাই জনগণের দোরগোড়ায় গিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে হবে। সরকার চেয়ারম্যানদের সম্মানহানি হোক চায় না মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, চেয়ারম্যানদের মর‌্যাদা বাড়লে সরকারের আয় ও উন্নতি বেড়ে যায়। চেয়ারম্যানদের ওপরে জনগণের যে আস’া আছে, এমপিদের ওপরেও জনগণের সে আস’া অনেক সময় থাকে না। এই সংগঠনের সঙ্গে আমার রক্তের সম্পর্ক। তাই আপনারা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে যান, অবশ্যই সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, জেলা পরিষদের সম্পত্তির গেজেট প্রকাশ করতে হবে। এ ছাড়া জেলা পরিষদের কাছে ভূমি হস্তান্তর করতে হবে এবং জেলায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন বলেন, ১৮৮৫ সালে জেলা পরিষদ গঠিত হয়। একটি জেলার উন্নয়ন করতে প্রথম প্রয়োজন টাকা। আর এটা ছাড়া কখনো একটি জেলার উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভূমি অফিস থেকে যে আয় হয়, সেটাই জেলা পরিষদের আয়। কিন’ সেখানে তাদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র এক শতাংশ। কিন’ এটা দিয়ে একটি জেলার উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়। তাই এখান থেকে জেলার উন্নয়নে ৫ শতাংশ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মতবিনিময়ে সভাপতিত্ব করেন স’ানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক।

Leave a Reply