ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের অনুরোধ মানলো না এফবিআই!

25/02/2017 1:04 am0 commentsViews: 43

এফএনএস আনর্ৱজাতিক : বেচারা ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক’দিন আগে খবর ছড়িয়েছিলো, গোয়েন্দারা নাকি সব গুরম্নত্বপূর্ণ-স্পর্শকাতর বিষয় তার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখে। এখন খবর ছড়িয়েছে, নির্বাচনের সময় রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের কতিপয় সহযোগী গোপনে যে যোগাযোগ করেছিল, তার তদনেৱ কেন্দ্রীয় তদনৱ অধিদফতরের (এফবিআই) তৎপরতার খবর ভেতরে ভেতরে ছড়াতে থাকলে তা চেপে রাখতে সংস’াটিকে অনুরোধ করে হোয়াইট হাউস। কিন’ তাদের সেই অনুরোধকে পাত্তা দেয়নি এফবিআই। ফলত এ খবর ক’দিনের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে সব সংবাদমাধ্যমে। ট্রাম্পযুগের হোয়াইট হাউসের এই অসহায় দশার খবর দিচ্ছে মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন। তারা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ খবর জানাচ্ছে। সিএনএন বলছে, ট্রাম্পের নির্বাচনকালীন প্রচারণা শিবির এবং নির্বাচন পরবর্তী সহযোগীরা মস্কোর কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে গোপনে যে যোগাযোগ করেন, সেটা আঁচ করতে পারপর তদনেৱ নামে এফবিআইসহ কিছু গোয়েন্দা সংস’া। তখন এ বিষয়ে নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের লোকেরা এফবিআইকে বলেন, ওই যোগাযোগের খবরগুলো মিথ্যা এবং গুজব। কোনো রকমেরই যোগাযোগ হয়নি রাশিয়ার কোনো পক্ষের সঙ্গে। এ ছাড়া বিষয়টি যেন গণমাধ্যমে না যায় সেজন্য ব্যবস’া নেওয়ারও অনুরোধ করে শ্বেতপ্রাসাদের কর্তৃপক্ষ। কিন’ তাদের এই অনুরোধের ঢেঁকি যে এফবিআই গেলেনি তা প্রমাণ হয়ে যায় ১৪ ফেব্রম্নয়ারি নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনে তদনেৱর খবরটি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর তো তা পুরো বিশ্বমিডিয়ায় শোরগোল তোলে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের এ মনৱব্যের বিষয়ে দৃষ্টির্ ণ করা হলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার ‘কৌশলী উত্তর’ দেন। তিনি বলেন, আমরা তাদের (এফবিআই) খবরগুলো চাপা দিতে বলিনি। বলেছি, তারা যেন সত্যটা বলে। এ বিষয়ে তদনৱকারী সংস’া এফবিআই কোনো মনৱব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করে। তবে সিএনএন বলছে, কোনো ঘটনার তদনেৱর বিষয়ে হোয়াইট হাউস ও এফবিআই’র মধ্যে যোগাযোগের সুযোগটা অনেক আগে থেকেই আইনিভাবে রম্নদ্ধ। সেই বাধা লঙ্ঘন করে তদনৱাধীন বিষয়ে এফবিআই’র সঙ্গে হোয়াইট হাউসের কথা বলাটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস’াগুলোর স্পর্শকাতর তথ্য, এমনকি স্বাভাবিক ব্রিফিংয়ের বাইরে কোনো তথ্য ট্রাম্পকে না দেওয়ার বিষয়ে ক’দিন আগে আমেরিকার গণমাধ্যম যে খবর দিয়েছিল, তার সঙ্গে নতুন এ খবর নয়া প্রেসিডেন্টের অসহায়ত্বকেই প্রকাশ করছে। এরমধ্যে ট্রাম্পের বক্তব্যের ঠিক বিপরীতে তার কূটনীতিক বা মন্ত্রীদের কথাবার্তা সেই অবস’াকে দেখাচ্ছে আরও ‘হ য ব র ল’ হিসেবে।

Leave a Reply


shared on wplocker.com