পদ্মার ভাঙনরোধে প্রধানমন্ত্রীর হসৱৰেপ কামনা

15/02/2017 1:03 am0 commentsViews: 19

এক সময়ের কীর্তিনাশা পদ্মা হারিয়ে গেছে বহু আগেই। বছরের বেশির ভাগ সময় পদ্মা এখন মরা নদী। বুকে তার কাশবনে ছেয়ে থাকা বিশাল বালুচর। কিন’ বর্ষায় তার ভিন্ন চেহারা। উজানের পানির তোড়ে ভাঙনের মুখে পড়ে নানা জনপদ। কিন’ এবার শুষ্ক মৌসুমেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার ভাঙনে দিশেহারা হাজার হাজার মানুষ।
প্রায় এক দশক জুড়ে বর্ষায় ভেঙেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলাতুলি, দেবীনগর, নারায়ণপুর, সুন্দরপুর, চরবাগডাঙা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, রাসৱাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, বসতবাড়ি, আমবাগান, ফসলি জমি হারিয়ে গেছে। নিঃস্ব হয়েছে নদীতীরের হাজার হাজার মানুষ। মাথা গোঁজার ঠাই হারিয়ে তারা আশ্রয় নিয়েছিল পার্শ্ববর্তী এলাকায়। কিন’ এবার শুষ্ক মৌসুমেও ভাঙতে শুরম্ন করেছে এখানকার পদ্মা। এর মধ্যেই চরবাগডাঙা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি, মালবাগডাঙা, রোডপাড়া, কাইরাপাড়া এলাকায় নদীভাঙনে অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি, হাজার বিঘা ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। দিশেহারা মানুষ ছুটছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে।
এমন বিপদের আশঙ্কা থেকেই সেখানে পদ্মার বামতীর সংরৰণ প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রম্নত ৬শ কোটি টাকার সেই প্রকল্প এখন ভেসেৱ যাবার মুখে। এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স’ানীয় সংসদ সদস্য ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদৰেপ গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর আশু হসৱৰেপ চেয়েছেন। এছাড়া আর কি-ই বা করার আছে তার।
শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার এই ভাঙনে ৰয়ৰতির পেছনে নদীতীর সংরৰণে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপৰের গা ছাড়া মনোভাব কাজ করেছে কিনা সেটাও ভেবে দেখার বিষয়। তীর সংরৰণে সময়মতো পদৰেপ নিলে হয়তো অসময়ের নদী ভাঙনে এমন ৰয়ৰতি ও দুর্ভোগ এড়ানো যেত। তখন আর এই বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর হসৱৰেপ কামনা করতে হতো না জনপ্রতিনিধিকে।
সে যাই হোক, এখন জরম্নরিভিত্তিতে পদ্মার ভাঙন প্রতিরোধে পদৰেপ নেয়াই আসল কাজ। নইলে ৰতির পরিমাণ বেড়ে যাবে। মানুষের দুর্ভোগও বাড়বে। পাশাপাশি নদীভাঙা মানুষের আশ্রয় ও পুনর্বাসনের কাজেও বিন্দুমাত্র অবহেলার অবকাশ নেই। সামগ্রিকভাবে বিষয়টির প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তপৰের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমরা।

Leave a Reply