rএফএনএস: জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, উন্নয়নের সকল সূচকে বাংলাদেশ আজ বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে অগ্রসর বাংলাদেশ। ইতোমধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।

গতকাল বুধবার জেনেভায় সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। ড. শিরীন শারমিন বলেন, আর্থ-সামাজিক সকল সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় জনগণ ভোগ করছে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুবিধা। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক, সকল ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ অনন্য, সংসদে নারী প্রতিনিধিত্বও ক্রমবর্ধমান। বর্তমানে সংসদে ৭৩জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছে।

বিরোধীদলের ইতিবাচক ও গঠনমূলক সমালোচনা সংসদকে আরও বেশি কার্যকর করেছে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় আস’া রেখেছে। আর এ কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবচাইতে বড় দুটি গণতান্ত্রিক সংগঠন সিপিএ ও আইপিইউতে শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিয়েছে। শিরীন শারমিন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৭.৮৬। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন আজ দৃশ্যমান, সেই সাথে ধাবমান তর্বণ প্রজন্ম ভবিষ্যতের সম্পদ। স্পিকার বলেন, ৩০ লাখ শহীদ ও ২লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে কোনরূপেই নস্যাৎ হতে দেওয়া যাবে না। বাঙালি জাতির মুক্তি তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ ২৩ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন।

কারো কৃপা বা অনুকম্পায় নয় বরং রক্তের বিনিময়ে বিশ্বের মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে সম্মুখপানে। সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বক্তৃতা করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম, মো. আবদুল কুদ্দুস, মমতাজ বেগম, আশেক উলৱাহ রফিক, মোহাম্মদ আবদুল মুনিম চৌধুরী এবং শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রমুখ। এ সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদার, সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান এবং সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা উপসি’ত ছিলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুং গং-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা আইপিইউ’র ফোরামে মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যুর হার এবং বাল্যবিবাহ হ্রাস করার উপায়সমূহ নিয়ে আলোচনা করেন।