স্টাফ রিপোর্টার : বৃষ্টি না থাকলেও কোর্টের ভেতরের প্রধান রাস্তা ডুবে আছে পানিতে। গতকাল রোববার এমনটাই দেখা গেছে কোর্টের ভেতরের চিত্র।
রাজশাহী বার সমিতির ১ নং ভবনের সামনে দিয়ে জেলা ও দায়রা জজ ভবনে যাওয়ার রাস্তায় জমে আছে পানি। এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে ভোগান্তি পড়তে হচ্ছে মানুষকে। হয় জুতা স্যান্ডেল খুলে না হয় রিকসা বা অন্য কোন যানবাহনে চলাচল করতে হচ্ছে মানুষকে। এমনি অবস’া চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনের রাস্তা এবং রেকর্ড র্বমের সামনের রাস্তাটির। জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা হলেও তা সমাধানে কার্যকর ব্যবস’া নেয়া হয়নি। ভুক্তভোগিরা বলছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস’া না থাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তাগুলি ডুবে যায়। এসময় মানুষ জুতা স্যান্ডেল খুলে চলাচল করতে বাধ্য হয়। কোর্ট চত্বরের রাস্তা এবং নিষ্কাশন ব্যবস’ার এই বেহাল দশায় মানুষের মন্তব্য যেখানে সাধারণ মানুষ থেকে ভিআইপিদের চলাচল সেখানে এই অবস’া কাম্য হতে পারে না। তারা বলছে, আলোর নিচে যেমন অন্ধকারের অবস’ান এটাও হয়তো ঠিক তেমনি। রাস্তা ঘাটের এই বেহাল দশায় সাধারণ মানুষসহ আইনজীবীদের ৰুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে দেখা গেছে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সম্ভবত বছর দুই আগে এই রাস্তার কাজ করা হলেও মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তা ভেঙে চুরে একাকার হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। পুরো রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে আছে ছোট ছোট পাথরের টুকরা। এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাওয়ার সময় ছিটকে আসা পাথরের টুকরাতে পথচারীদের আহত হওয়ার মত ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। এছাড়াও চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে থেকে রেকর্ড র্বমের সামনের রাস্তাটিরও বেহাল দশা। বৃষ্টি হলে এই রাস্তার স’ানে স’ানে খানা খন্দে পানি জমে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় রাস্তাগুলো বেহাল হয়ে পড়ে থাকলেও তা সংস্কারের উদ্যোগ নাই। আবার জেলা প্রশাসক কার্যলয় ২ নং ভবনের সামনে এসপি অফিসের পাশের রাস্তাটির অংশ বিশেষ দেখা গেছে ভাঙা অবস’ায়। বারের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, যথাযথ কর্তৃপৰের মাধ্যমে যতদ্র্বত সম্ভব রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।