সোনালী ডেস্ক: আজ ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। মানসিক রোগ সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির লৰ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৯২ থেকে প্রতি বছর আজকের দিনে পালিত হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যত বেশি সম্ভব সমস্ত মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করার জন্য জাতিসংঘের সনদের আওতায় বিশেষজ্ঞ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। স্বাস্থ্যের সকল দিকের সঙ্গে সম্পর্কিত যেমন পুষ্টি, মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য রৰা, পরিবেশগত নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ রোগ নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা রোধ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ৰেত্রেও গবেষণা ও উন্নয়নে সমন্বয় ও সহায়তা করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ অনুযায়ী যেকোনো দেশে গুর্বতর মানসিক রোগীর সংখ্যা জনসংখ্যার প্রায় এক শতাংশ এবং লঘু মানসিক রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০% । এসব রোগীর চিকিৎসা ও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকা তাদের অধিকার । এ বিষয়টি উপলব্ধির প্রেৰাপটে পালিত হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ০.৫% মানসিক প্রতিবন্ধী। দেশে মানসিক হাসপাতালের সংখ্যা মাত্র ১টি পাবনার হেমায়েতপুরে। মেন্টাল হেলথের ওপর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট আছে একটি । এ বিষয়ে প্রশিৰণপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন আছেন ২৫ জনের মতো । হাসপাতালগুলোতে মানসিক রোগীদের জন্য শয্যা সংখ্যা ২৭০টি । তন্মধ্যে সরকারি পর্যায়ে মাত্র ৭০টি । মানসিক রোগাক্রান্তরা কখনো কখনো আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়। মানসিক হাসপাতালগুলোতে মানসিক রোগীদের জন্য শয্যা সংখ্যা ২৭০টি। তন্মধ্যে সরকারি পর্যায়ে মাত্র ৭০টি। মানসিক রোগাক্রান্তরা কখনো কখনো আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়। মানসিক রোগের কারণে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে শ্রীলংকায়। এক জরিপে দেখা গেছে বাংলাদেশে আত্মহত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে ঝিনাইদহে। এ প্রেৰাপটে এটি একটি গুর্বত্বপূর্ণ দিবস। বাংলাদেশে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, পত্রিকায় বিশেষ বুলেটিন বা ক্রোড়পত্রের মাধ্যমে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হচ্ছে