বাঘা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ১০ বছর ধরে ঝুলে আছে। নির্বাচন না হওয়ায় এলাকায় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কোন ইউনিয়নে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্রে জানা যায়, সীমানা জটিলতার কারণে বাঘা এলাকার সেলিম রেজা, আবু বক্কর, আবদুল কুদ্দুস, মনিগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আকবর হোসেন, সাবেক গড়গড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল গনি ম-ল, পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কলিগ্রামের রেজাউল হক ফিটু হাইকোর্টে নির্বাচন বিষয়ে রিট পিটিশন করেন। ফলে হাইকোর্ট  নির্বাচন স’াগিত ঘোষণা করে। বাজুবাঘা, গড়গড়ি, পাকুড়িয়া, মনিগ্রাম চারটি ইউনিয়নের নির্বাচন সর্বশেষ ২০০৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ চারটি ইউনিয়নের নির্বাচনের মেয়াদ ২০০৮ সালের ২৩ মার্চ শেষ হয়েছে। তবে সর্বশেষ ২০১১ সালের ২ জুলাই এ চারটি ইউনিয়নের নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হলেও পরে তা স’গিত হয়ে যায়। চারটি ইউনিয়নের সীমানা এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নে নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এলাকাবাসী এ সীমানা নির্ধারণ চায় না।

বাঘা উপজেলা প্রাথমিক শিৰক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম মোলৱা বলেন, নির্বাচনের মেয়াদ ১০ বছর পার হতে চলেছে। নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকলে উন্নয়ন ব্যাহত হয়। তবে এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও ওয়াডের্র ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।

বাঘা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুল আলম জানান, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আর কোনো আইনি জটিলতা নেই। তবে সংসদ নির্বাচনের আগে স’ানীয় নির্বাচন হওয়ার বর্তমানে আর সুযোগ নেই।