স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর মোহনপুর ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রি (পাস) ইংরেজি বিষয়ের পরীৰায় প্রকৃত পরীৰার্থীর পরিবর্তে পরীৰা (প্রঙি) দেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত ২৪ জনের প্রত্যেককে দুই বছর করে সশ্রম কারাদ-ে দ-িত করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং ৩ এর বিচারক সাইফুল ইসলাম পাবলিক পরীৰা ( অপরাধ) আইন ১৯৮০ সালের ৩(ক)(খ)/১৩ ধারায় এই দ- প্রদান করেন। রায় প্রদানের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সাব্বির হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান রনি, মিঠু রহমান, কাওছার হোসেন, আব্দুস সালাম, আরিফুল ইসলাম, মোত্তালেব হোসেন, র্ববেল আলী, আমিনুল ইসলাম, আল আমিন, ইমরান আলী, জান্নাতুল ফেরদৌস, বেলাল হোসেন, ফিরোজ আহমেদ, বুলবুল ইসলাম, ফার্বক হোসেন, হোসেন আলী, মতিউর রহমান, সুমন রানা, সোহেল রানা, ফিরোজুল ইসলাম, ইলিয়াস সরদার, মতিউর রহমান, ও বৃষ্টি রানী।
মামলার সংৰিপ্ত বিবরনে জানা যায় ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই রাজশাহীর মোহনপুর ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রি পাস ( পুরাতন সিলেবাস) পরীৰা ২০১৫ ইংরেজি (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীৰায় ১ থেকে ১২ নং আসামি ১৩ থেকে ২৪ নং আসামির পরিবর্তে পরীৰা দেয়ার সময় ১ থেকে ১২ নং আসামিকে পরিদর্শকগণ আটক করলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। পরে এই ঘটনায় কলেজের উপাধ্যৰ ও ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিব মকবুল হোসেন বাদি হয়ে তাদের বির্বদ্ধে মোহনপুর থানায় পাবলিক পরীৰা আইনে মামলা দায়ের করেন। মোহনপুর থানার মামলা নং- ১৭, তারিখ ১৮/৭/২০১৭। জিআর মামলা নং- ১৩০/২০১৭ ( মোহনপুর)। আদালত এই মামলায় ১১ জনের সাৰ্য গ্রহণ করেন। রষ্ট্রপৰে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি শামসুদ্দিন আহমেদ। আসামিপৰে ছিলেন অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন ও আকতার্বল আলম বাবু।
উলেৱখ্য চাকরিসহ বিভিন্ন পরীৰায় টাকার বিনিময়ে একটি চক্র ছবি পরিবর্তন করে অন্যের পরীৰা দিচ্ছে। এদের অনেকে আটক হলেও মুচলেকা বা লঘুদ- পেয়ে ছাড়া পাওয়ায় এই প্রবণতা বাড়ছে। সংশিৱষ্টদের মতে এধরনের ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হলে এই প্রবণতা কমবে।