স্টাফ রিপোর্টার: শিৰামন্ত্রী নুর্বল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্রীড়ানুশীলনের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও ইতোমধ্যে প্রশংসীয় সাফল্য অর্জন করছে। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সৰম হয়েছে।
গতকাল রোববার রাজশাহী সরকারি শারীরিক শিৰা কলেজ মাঠে ৪৭তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিৰা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিৰা ক্রীড়া সমিতি এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।
শিৰামন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা- শিৰার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুর্বত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিৰা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মক- বাড়াতে হবে।
নতুন প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নির্মাতা উলেৱখ করে শিৰামন্ত্রী বলেন, তাদেরকে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে হবে। এজন্য পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করতে হবে। নিজেদরকে জনগনের প্রতি দায়বদ্ধ দেশপ্রেমে উজ্জীবিত দৰ নাগরিক ও ভাল মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা সব ধরনের খারাপ কর্মকা- থেকে দূরে রাখে। এ জন্য এসবের চর্চা করতে হবে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়র্বজ্জামান লিটনও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর নগরীতে বেশি বেশি খেলাধুলার চর্চা হবে। তিনি সেই ব্যবস্থা করবেন।
অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিৰা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ শামছুল হুদা সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, শিৰা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিৰা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান, ঢাকা শিৰা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর জিয়াউল হক, মাদ্রাসা শিৰা বোর্ডের চেয়ারম্যান একেএম ছায়েফ উল্যাহ, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিৰাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
উলেৱখ্য, জাতীয় পর্যায়ে চারটি বিষয়ে মোট ৫২৮ জন শিৰার্থী ৪৭তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করছে। ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চূড়ান্ত পর্বের খেলা চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের বক্তব্য শেষে বিভিন্ন গ্র্বপের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ ডিসপেৱ অনুষ্ঠিত হয়।