আজমিরা পারভিন: রাজশাহী নগরীর বাজারগুলোতে গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে চাল ও সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে ডাল, মসলা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে। সি’তিশীল রয়েছে মাংসের দামও। গতকাল রোববার নগরীর সাহেববাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে পাওয়া গেছে এমন তথ্য।
নগরীর সাহেববাজারের মুদি ব্যবসায়ী বিনা প্রসাদ গুপ্ত জানান, চালের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। বাজারে বর্তমানে জিরাশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪৬ টাকা দরে। গত সপ্তাহে এই চাল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা দরে। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। গতসপ্তাহে এর দাম ছিল ৪৫ টাকা। আর গত সপ্তাহের ৫৫ টাকা দরের মিনিকেট এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। তবে নাজিরশাইল গত সপ্তাহের মতো চলতি সপ্তাহেও ৬৫ টাকা, বাসমতি ৭০ টাকা, গুটিস্বর্ণা ৪০ টাকা, কালিজিরা ৯০ টাকা, চিনিগুড়া আতব ৯০ টাকা, কাটারি আতব ৬০ টাকা ও পাইজাম আতব ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে এখন সবজির দাম কমছে। সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এখন লাউ প্রতি পিস ১৫ টাকা, পেঁপে ৬-১০ টাকা কেজি, চালকুমড়া ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লালশাক ও সবুজশাক ১৫ টাকা আঁটি হিসাবে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মূলা, বেগুন, বরবটি, কচুর লতি এবং করলা ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঝিঙা ২৫ টাকা, পটল ১০ টাকা, ফুলকপি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বাঁধাকপি প্রতিপিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।
মহানগর পাইকারী কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফায়জুল ইসলাম বলেন, সবজির দাম কমে যাওয়ায় সবজি ব্যবসায়ীরা হতাশ। কেননা, অনেকেই বেশি দরে সবজি কিনে রেখেছিলেন। আমদানি বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম কমে গেছে। ফলে বেশি দরে কেনা সবজি এখন কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
এদিকে সাহেববাজারের মাছ ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমানে প্রতিকেজি ছোট ইলিশ ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা, বড় ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা, গলদা ৮শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’, টেংরা ৭শ’ থেকে ৮শ’, বাইম ৭৫০ থেকে ৮শ’, মৃগেল ১৭০ থেকে ১৮০, বড় সিলভার কার্প ১৬০ টাকা, ছোট সিলভার কার্প ১২০ টাকা, র্বই ৩৬০ থেকে ৪শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নদীর আইড় ৯শ’ থেকে ১ হাজার টাকা এবং বোয়াল ২শ’ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাজারে এখন অপরিবর্তিত রয়েছে মাংসের দর। বর্তমানে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। এছাড়াও সোনালি ১৯০ থেকে ১৯৫, দেশি মুরগি ৩২০, পাতিহাঁস ২৩০, রাজহাঁস ৩৫০, গর্বর মাংস ৪২০ থেকে ৪৪০ এবং খাসির মাংস প্রতিকেজি ৭শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।