এফএনএস: টেলি কনফারেন্স-এর মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক জিয়ার সাক্ষাৎকার গ্রহণের বিষয়টি দেশের প্রচলিত আইন ও নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন দাবি করে নির্বাচন কমিশনে এ বিষয়ে অভিযোগ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফার্বক খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান। পরে ফার্বক খান সাংবাদিকদের বলেন, দেশবাসীর মতো আমরাও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, সামপ্রতিক সময়ে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে। পলাতক দ-প্রাপ্ত আসামি তারেক জিয়া টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। এটি সুস্পষ্ঠ নির্বাচনি আইন ও আদালতের নির্দেশনার লঙ্ঘন। এ বিষয়ে আমরা কমিশনকে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছি এবং দ্র্বত যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছি।
তিনি জানান, শনিবার যুক্তফ্রন্টের নেতারা আদালত প্রাঙ্গণে নির্বাচন নিয়ে এমন সব কথা বলেছেন যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি প্রয়াস। এটি অব্যাহত থাকলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ইসি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। তারেক জিয়া নির্বাচনি আচরণবিধির কোন ধারাটি লঙ্ঘন করেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতারা বিষয়টি স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি। তবে এ বিষয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান নওফেল বলেন, তারেক জিয়া পলাতক দ-িত আসামি। তিনি কোনও রাজনৈতিক ও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন না।
তিনি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কোর্টের আদেশ লঙ্ঘন করেছেন। এটি আইনত অবৈধ ও অনৈতিক। গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাবো আদালতের আদেশ মেনে তার খবর যেন প্রকাশ করা না হয়। এজন্য তার দল বিএনপিকে দায়ী করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকু-ড্রামা ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে ফার্বক খান বলেন, এটি বিনোদন মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে। মানুষ টাকা দিয়ে দেখছেন। এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। এ ছাড়া টেলিভিশনে প্রচারিত থ্যাংক ইউ প্রধানমন্ত্রী’ ভিডিওচিত্রটি আচরণবিধির মধ্যে পড়ে কিনা সে বিষয়েও তিনি কোনও জবাব দেননি।