সোনালী ডেস্ক: ধর্মের রাজনীতি নতুন কোনো বিষয় না, বহু বহু বছরের পুরানো এবং এর একটি ঐতিহাসিক গুর্বত্ব রয়েছে। কিন্তু ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতির ইতিহাস খুব একটা আগের নয়। আর যুগে যুগে এটারই পূর্ণ প্রয়োগ করেছে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যাওয়া জামায়াতে ইসলামী। প্রয়োগ করেছে খুব নোংরা এবং অসৎভাবে।
ঢাকার ২২ কিলোমিটার উত্তরে তুরাগ নদীর তীরে প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশটি সর্বসাধারণের তো বটেই, বিশেষ করে তাবলিগ জামায়াতের বার্ষিক বৈশ্বিক সমাবেশ। ২০১৯ এর বিশ্ব ইজতেমা শুর্বর বাকি আরো মাস দুই-এক। আর ইতিমধ্যেই প্রায় পঞ্চাশ বছরের পুরানো এই অরাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী নোংরা রাজনীতি শুর্ব করে দিয়েছে। যা একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে বানচাল করার পাঁয়তারা ছাড়া আর কিছু নয় । খড়-কুটোর মতো যা পাচ্ছে তাতেই বার্বদ ঢালতে চাচ্ছে দলটি। প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে ধর্ম প্রাণ মুসুলিৱদের সাথে জঘন্য খেলায় মেতে উঠেছে তারা । যার ফলে শান্তিপ্রিয় জনগণ উত্তেজিত হয়ে কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক বন্ধ করে দিয়েছিলো। এই হাঙ্গামায় একজন প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মুসুলিৱ। কে জানতো শনিবারের সুন্দর, সতেজ, ফুরফুরে সকালটা এভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। তবে জনগণ মনে করেন, যা কিছু হোক না কেন , নির্বাচন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
ব্যবসা এবং বাণিজ্যের ভেতর যেমন পার্থক্য আছে, তেমনি ধর্মের রাজনীতি আর ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতিতেও রয়েছে ভিন্নতা । ধর্মই মানুষকে করেছে সুসংহত, মানবতাবাদী। জামায়াতে ইসলামীর মতো এর বাজে প্রয়োগ রক্তগঙ্গা বইয়ে দিতে পারে। যা এই গণতান্ত্রিক দেশের স্বাধীন জনগণ কিছুতেই মেনে নিবে না।